শিরোনাম
সুন্দর ব্যবহার ও আচরণের বিনিময়ে জান্নাত! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী ১১ নং ব্রাহ্মণডুরা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আদর হোসেন সামাজিক নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণ ও পুষ্টি সমন্বয় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিচার, সংস্কার ও দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে তাড়াইলে এনসিপির ‘জুলাই জাগরণ’ পদযাত্রা কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইসলামী দাওয়াত এর গুরুত্ব! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী রেমিটেন্স যোদ্ধা ও ব্যবসায়ীর ওপর আল ফালাক রিয়েল এস্টেটের প্রতারণা ও হুমকির পাহাড়সম অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলন ও আইনি লড়াই অব্যাহত গ্রামীণফোনের সাবেক শ্রমিকদের ১৬ বছরের আইনগত পাওনা পরিশোধের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ সাধুহাটি ফজলুল হাসান ইসলামিক একাডেমিতে মেধা প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত বিশ্বম্ভরপুরে ভার্ড-একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে লেপ্রসি ফলোআপে নতুন শনাক্ত ৪,চিকিৎসা শুরু
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

শিক্ষক সাংবাদিক থেকে আইনজীবী হওয়ার গল্প রায়পুরের বেলাল চৌধুরীর , বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরন

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ৪৫৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

Manual4 Ad Code

পীরজাদা মোঃ মাসুদ হোসেনঃ

Manual5 Ad Code

আইন পেশায় যুক্ত হলেন দৈনিক “সোনালী কন্ঠ” পত্রিকার লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি বেলাল চৌধুরী। রায়পুর রিপোটার্স ইউনিটির আইন বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। গত ১৫ মার্চ ২০২৬ তিনি বাংলাদেশ বার-কাউন্সিল কর্তৃক চূড়ান্ত তালিকায় সনদপ্রাপ্ত হয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একজন নিয়মিত আইনজীবী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এর আগে তিনি ঢাকা জেলা জজ আদালত ও লক্ষ্মীপুর জেলা জজ আদালতে শিক্ষানবীশ আইনজীবী হিসেবে অনুশীলন করেন।শিক্ষক সাংবাদিক থেকে আইনজীবী হওয়ার গল্প রায়পুরের বেলাল চৌধুরীর , বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরন।

Manual3 Ad Code

বেলাল চৌধুরী রায়পুর থানাধীন ৬ নং কেরোয়া ইউনিয়নের একজন কৃতী সন্তান। উক্ত ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মৃত মোঃ নুরল আমীন ও পারুল বেগম দম্পতির জেষ্ঠ সন্তান বেলাল চৌধুরী। বাবা মায়ের স্বপ্ন ছিলো তিনি একজন আইনজীবী হবেন, আজ সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন হলো। এছাড়াও প্রায় ১৫ বছর তিনি শিক্ষকতা পেশায় জড়িত ছিলেন, উত্তর কেরোয়া এম এম এ কাদের একাডেমী, কেরোয়া মানছুরা প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রায়পুর টিউলিপ স্কুল এন্ড কলেজের গনিত শিক্ষক ছিলেন।শিক্ষক সাংবাদিক থেকে আইনজীবী হওয়ার গল্প রায়পুরের বেলাল চৌধুরীর , বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরন।

তিনি ২০০৫ সালে এস এস সি, ২০০৭ সালে এইচ এইচ এস সি, ২০১১ সালে লক্ষ্মীপুর সরকারী কলেজ থেকে অনার্স পাশ করেন। ২০১২ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এমএ পাশ করেন। ২০১৬ সালে ঢাকা আইডিয়াল ল’ কলেজ ফার্মগেট ভর্তি হয়ে ২০২০ সালে তিনি এলএল.বি ডিগ্রি অর্জন করে লক্ষ্মীপুর জজ আদালতে শিক্ষানবীশ আইনজীবী হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে এলএলএম পাশ করেন। ২০২৬ সালে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক চূড়ান্তভাবে সনদপ্রাপ্ত হয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একজন নিয়মিত আইনজীবী হন।শিক্ষক সাংবাদিক থেকে আইনজীবী হওয়ার গল্প রায়পুরের বেলাল চৌধুরীর , বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরন।

Manual6 Ad Code

ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি ও তার স্ত্রী তাহমিনা পাটোয়ারী ২ ছেলে ১ মেয়ের জনক-জননী। বড় ছেলে তাহছীন চৌধুরী, ছোট ছেলে তাহসান চৌধুরী, মেয়ে ভাবনা চৌধুরী তাহিরা। বেলাল চৌধুরীর এই কৃতিত্বে রায়পুরের শিক্ষক, সাংবাদিক, আইনজীবী সমাজ গর্বিত।

রায়পুর রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুল জাব্বার ফরিদ বলেন, বেলাল চৌধুরী একজন পেশাদার সাংবাদিক এবং রায়পুর রিপোর্টার্স ইউনিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে আছেন। আমরা রায়পুর রিপোটার্স ইউনিটি তাকে নিয়ে গর্ববোধ করি। তাঁর সিনিয়র আইনজীবী এ্যাডভোকেট মনির হোসেন বলেন, তিনি আমাদের রায়পুরের ই একজন সন্তান, অত্যন্ত মেধাবী, তিনি আমাদের আইনঙ্গনের একজন সদস্য, তার ভবিষ্যৎ সফলতা কামনা করি। রায়পুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সাংবাদিক জাকির হোসেন দিদার বলেন, বেলাল চৌধুরী একজন মেধাবী ও বিচক্ষন মানুষ, এই মানুষটি মিষ্টি হাসি দিয়ে সবার সাথে কথা বলে হৃদয় কেড়ে নেন। তার উন্নতি কামনা করি, সাংবাদিক মামুন ভূইয়া বলেন,
বেলাল চৌধুরীর এই সফলতা সত্যিই অনেক সন্মান এবং গৌরবের, পেশাগত জীবনে অনেকদূর এগিয়ে যাবেন, আমরা তার জন্য দোয়া করি।

একান্ত আলাপে এ্যাডভোকেট বেলাল চৌধুরী বলেন, আমার মা-বাবার বড় স্বপ্ন ছিলো আমি আইনজীবী হবো, শুরুটা অনেক কঠিন ছিলো, অনেক সংগ্রাম এবং নির্ঘুম রাত পরিশ্রম করে আজ আমি স্বীকৃত একজন আইনজীবী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলাম। আমার এ যাত্রায় বাবা-মায়ের, সিনিয়র আইনজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সহকর্মী, এলাকাবাসী, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, বিচারপ্রার্থী মজলুম জনগনের দোয়া ছিলো, তাছাড়া আমার কঠিন ধৈর্য ও অধ্যবসায় ছিলো, আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। কাজকে আমি কখনোই ছোট করে দেখিনি, কাজের প্রতি ছিলো আমার কঠিন ভালোবাসা। একজন সফল মানুষ হতে হলে, অধ্যবসায়, সততা, আদর্শ, ধৈর্য, সম্মান, সহমর্মিতা আবশ্যক। আমি সকলের কাছে দোয়া চাই- যাতে আইনপেশায় যুক্ত থেকে সারা জীবন সততার সহিত মানুষ এবং মানবতার কল্যানে নিজেকে উৎসর্গ করতে পারি।

Manual7 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code