সিলেট প্রতিনিধি:
দীর্ঘ ২৫ বছরের ব্যবসায়িক পথচলায় ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করা প্রতিষ্ঠান ‘মাহেরা এন্টারপ্রাইজ’ এবার নতুন ঠিকানায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। আনন্দঘন পরিবেশে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির নতুন কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টায় সিলেট সদর উপজেলার ৪নং খাদিমপাড়া ইউনিয়নের পরগণা বাজার সংলগ্ন স্পোর্টস প্লাজার বিপরীতে নতুন কার্যালয়ে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ৪নং খাদিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বদরুল ইসলাম আজাদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাহেরা এন্টারপ্রাইজ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের সঙ্গে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নতুন ঠিকানায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে এবং ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটি আরও সফলতা অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি মাহেরা এন্টারপ্রাইজের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা ও শুভকামনা প্রত্যাশা করেন।
প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্যবসায়ী মো. আলী আকবর বলেন, “২৫ বছরের পথচলা শেষে মাহেরা এন্টারপ্রাইজ নতুন ঠিকানায় নতুনভাবে যাত্রা শুরু করেছে। সিলেট অঞ্চলের মানুষের জন্য স্টিল সামগ্রী ও স্টেশনারি মালামালের একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে মাহেরা এন্টারপ্রাইজকে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, “খুচরা ও পাইকারি—সব ধরনের ব্যবসায়ীদের প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে এখানে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে। নতুন ঠিকানায় কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
এ সময় তিনি মাহেরা এন্টারপ্রাইজের ভবিষ্যৎ পথচলায় সবার সহযোগিতা, দোয়া ও শুভকামনা কামনা করেন।
পরে মাওলানা আব্দুল কাদির (বাগেরখলী)-এর পরিচালনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে নতুন ঠিকানায় মাহেরা এন্টারপ্রাইজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে অতিথি ও উপস্থিত সবার মাঝে সিন্নি বিতরণ করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ৪নং খাদিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বদরুল ইসলাম আজাদ ছাড়াও স্থানীয় সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।