শিরোনাম
সিলেটে ১৩ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্য উদ্ধার গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ৫% বিলম্ব বকেয়া ৩৩ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা পরিশোধের দাবি, সংলাপ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি টানা চারবার ডিএমপির শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের ডিসি ছানোয়ার হোসেন সাংবাদিক সাজুর বিরুদ্ধে ‘পরিকল্পিত অপপ্রচার’ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী ইউসেপ বাংলাদেশ আয়োজিত চাকুরী মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক জটিলতায় স্থবির সিলেট ইনক্লুসিভ স্কুল, তদন্ত প্রতিবেদনেও মিলছে না সমাধান কুলাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে ডা. বর্ণালী দাশ ইরা’র”লাইট”প্রকল্পর উদ্যোগে শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় সাংবাদিকতার আড়ালে কার্ড বাণিজ্য: টাকার বিনিময়ে তৈরি হচ্ছে ‘সাংবাদিক’
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

সাতক্ষীরার সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে ভারতীয় গো-মাংস, ফেরি করে চলছে বিক্রি

Coder Boss / ৩২৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১

Manual3 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

শেখ অাবুমুছা সাতক্ষীরাঃ

Manual8 Ad Code

চোরাইপথে সাতক্ষীরার সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে ভারতীয় গো-মাংস। ভারতীয় সেই গো-মাংস সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে ফেরি করে চলছে বিক্রি। চোরাচালানীরা ভারতে জবাই করা গবাদিপশুর মাংস চোরাইপথে বাংলাদেশে নিয়ে আসার পর তা হাটে বাজারে ও গ্রাম এলাকায় কম দামে বেচাকেনা করছে। বাংলাদেশের বাজারমূল্য অপেক্ষা এই গরুর মাংসের দাম অনেক কম হওয়ায় ক্রেতারাও তা কিনছেন হরহামেশায়।

সাতক্ষীরা সীমান্তের কা্ঁকডাঙ্গা, কেঁড়াগাছি, তলুইগাছা, বৈকারি, কুশখালিসহ কলারোয়ার কয়েকটি এলাকার চোরাকারবারিরা সাইকেল, ভ্যান ও মোটরসাইকেলে করে বস্তাভর্তি এই মাংস ফেরি করছে। এই মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ২৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকায়। কোন কোন সময় এর কমেও বেচাকেনা হচ্ছে। প্রতিদিন ভোরে গ্রামে গ্রামে তারা পৌছে দিচ্ছে এই মাংস। আগ্রহী ক্রেতারাও কমদামে তা কিনে নিচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, বাংলাদেশের বাজারে জবাইকৃত গরুর মাংস সচরাচর ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হয় প্রতিকেজি। অথচ চোরাপথে আসা মাংসের দাম তার অর্ধেকের কিছু বেশী। এমন অবস্থায় দরিদ্র ক্রেতারা এর প্রতি ঝুকে পড়ছেন। বিশেষ করে যারা অসচেতন তারাই এই মাংস ক্রয় করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কসাইদের কাছেও চোরাচালানের এই মাংস কম দামে সরবরাহ করা হয়। ফলে মাংস ব্যবসায়ী কসাইরা দেশীয় মাংসের সাথে মিশিয়ে দিয়ে বাড়তি মুনাফা লুটে নিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র কড়া নজরদারির কারনে ভারতীয় গবাদিপশু বাংলাদেশে আসতে পারছে না। ফলে চোরাকারবারিরা ভারতীয় এলাকায় গরু জবাই করে তা মাংস হিসাবে এই সীমান্তে পাঠিয়ে দিচ্ছে। দাম কম হওয়ায় ক্রেতারাও এর দিকে ঝুকে পড়ছেন। বিজিবি সদস্যরা প্রায়ই এসব মাংস আটক করে থাকেন। তা সত্ত্বেও গরুর মাংসের চোরাচালান থামছে না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিজিবির ৩৩ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল আল মাহমুদ জানান, চোরাপথে ভারতীয় গরুর মাংস বাংলাদেশের এলেই আমাদের সদস্যরা আটক করে থাকে। প্রায়ই আমাদের অভিযানে এই মাংস জব্দ করা হয়। পরে তা মাটিচাপা দিয়ে নষ্ট করে ফেলা হয়।

Manual2 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code