শিরোনাম
রেমিটেন্স যোদ্ধা ও ব্যবসায়ীর ওপর আল ফালাক রিয়েল এস্টেটের প্রতারণা ও হুমকির পাহাড়সম অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলন ও আইনি লড়াই অব্যাহত গ্রামীণফোনের সাবেক শ্রমিকদের ১৬ বছরের আইনগত পাওনা পরিশোধের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ সাধুহাটি ফজলুল হাসান ইসলামিক একাডেমিতে মেধা প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত বিশ্বম্ভরপুরে ভার্ড-একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে লেপ্রসি ফলোআপে নতুন শনাক্ত ৪,চিকিৎসা শুরু ​বানারীপাড়ায় চাঁদা না দেওয়ায় ঘর নির্মাণে বাধা ও কুপিয়ে জখমের অভিযোগ: থানায় লিখিত অভিযোগ  যাঁর হাতে খোঁড়া হয়েছে অসংখ্য কবর, আজ সেই মানুষটিকেই শেষ বিদায় কর্জশোধ, রিজিক বৃদ্ধি ও বৈষয়িক উন্নতি! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী আরকয় (RCOY) নিয়ে বিতর্ক: জুলাই আন্দোলন, পুনর্বাসনের অভিযোগ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জিগীষা মানবিক পার্টির চেয়ারম্যান নূর হোসাইন-এর পক্ষ থেকে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

চা-বাগানের শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র বন্ধ রেখেই সরকারী বেতন ভাতা হরিলুট

Bappy Deb / ২১৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

Manual5 Ad Code

বাপ্পী দেব (শ্রীমঙ্গল):

ফুসকুড়ি চা বাগানে শ্রম কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও শ্রম অধিদপ্তর এর অধীনস্থ শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের অনিয়ম দূনীতির অভিযোগ উঠেছে। এখানে মেডিকেল অফিসারসহ ১২ টি পদের মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ২জন কর্মচারী তাও অনিয়মিত। আর খাতা কলমে রয়েছে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ডাক্তারের নাম।

 

Manual7 Ad Code

তিনি হলেন নিবাস চন্দ্র পাল,সিনিয়র মেডিকেল অফিসার হিসেবে অতিরিক্তি দায়িত্বে ফুসকুড়ি চা বাগানের শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে নিয়োগ থাকলেও বিগত ৬ বছরেও দেখা মিলে নি একদিনও এমন অভিযোগ বসবাসরত চা শ্রমিকের। আর উনার পরিবর্তে মাঝে মধ্য শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের অফিস খুলেন ফার্মাসিষ্ট নিবাস তিনি মনগড়া সকল রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। 

 

এদিকে শ্রম কল্যাণ সংগঠক কবির আহমদের উপর স্থানীয়দের অভিযোগ শেষ নেই। তিনি সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করেও দীর্ঘ ৮বছর ধরে কাজ করছেন রাজঘাটের সীমান্ত এলাকায় তার নিজস্ব দু’টি লেবু বাগানে। শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের ভিতরে ২টি কোয়ার্টারে রেখেছেন ২ স্ত্রীকে। কবীর আহমেদ সেখানে শুধু রাত যাপনই করেন থাকেন। ভোরে ঘুম থেকে উঠেই চলে যান মোটরসাইকেল যোগে সীমান্তের লেবু বাগান পরিচর্যাসহ ব্যবসার তাগিদে আর আসেন রাতে।

 

ফুঁসকুড়ি চা বাগানে শ্রমিকদের চিকিৎসা,বিনোদনের জন্য স্থাপন করা হয় এই শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রটি। কিন্তু বন্ধ থাকছে দিনের পর দিন। এই কেন্দ্রে চা বাগানের ছেলে মেয়েরা ইনডোর খেলাধুলা বা বই পড়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বাস্তবে চা শ্রমিকদের কোন কাজে আসছে না এই কেন্দ্রটি। 

 

গরীব চা শ্রমিক জীবনমান উন্নয়নের জন্য তাদের পরিবারের লোকজনে চিকিৎসার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো এই শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা কর্মচারীর অবহেলায় অচল অবস্থায়। এখানে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পদে নিয়োগ থাকা সত্ত্বে দেখা মিলেনি ৬ বছর ধরে তার। অত্র এলাকায় আর কোন স্থায়ী ডাক্তারও নেই। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মেডিকেল অফিসার সপ্তাহে ২ দিন এসে রোগী দেখার কথা থাকলেও এপর্যন্ত তার দেখা পায়নি একদিনও। তিনি ১৯৯৯ সাল থেকে দীর্ঘ দিন এই শ্রম কল্যাণ কেন্দের ডাক্তার হিসেবে যোগদান করেন।

 

Manual7 Ad Code

ফুসকুড়ি বাগানের চা শ্রমিক বিজয় পাল, রাজিব বুনার্জি, পিংকু বুনার্জি, নিপেন বুনার্জি, মনি বুনর্জি, রিংন্কু বুনার্জি, মো: জরিন আহমদ, লিটন দাশ বলেন;’ আমরা চা শ্রমিক নিম্ন আয়ের মানুষ। ভাল ডাক্তার দেখানোর সামর্থ আমাদের নেই। শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে আসি শিশু সন্তান নিয়ে। ডাক্তার পাওয়া যায় না। প্রায় দিনই বন্ধ থাকে। ডাক্তারের নামে ফার্মাসিস্ট আমাদের মাঝে মধ্যে এসে অফিস খুলে ঔষধ দিয়ে কোথায় জানি চলে যান,আর মিলে না তার দেখা। সর্ব রোগের ঔষধ হিস্টাসিন,প্যারাসিটামল,মেট্রিল আর কিছু এন্টিবায়োটিক। তাও এন্টিবায়োটিকের কোন মাত্রা নেই। শিশুদের ক্ষেত্রে যা, বড়দের ক্ষেত্রেও তা। এছাড়াও সংগঠক কবির আহমদ তার অফিসের কক্ষ কখনো খুলেন নি। যার কারণে খেলাধুলা কিছু করা যায় না। এমনকি বই পড়ার খেলাধুলার সুযোগ থাকলেও শিক্ষিত ছেলে মেয়ে বই পড়া খেলাধুলা করতে পারেনি।

Manual6 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

তারা আরও জানান;’কবির আহমদ ২টি লেবু বাগান করেছেন। সে সবসময় তার লেবু বাগানে নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এছাড়াও শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের কোয়ার্টারে থাকার কারনে শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের বড় বড় গাছও গোপনে বিক্র করেছেন’।

 

বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সুনিল তাতীঁ বলেন,’ডাক্তার নিবাস চন্দ্র পালের দেখা আমরা পাইনা। শুনেছি তিনি শ্রীমঙ্গলে শ্রম অধিদপ্তর অফিসে বসেন। এখানে তিনি অতিরিক্ত দায়িত্বে আছেন। এছাড়াও শ্রীমঙ্গল তার একটি পলিক্লিনিক পরিচালনা করেন। মাঝে মধ্যে ফার্মাসিষ্ট এখানে রোগী দেখেন। ঔষধের ৩৫/৩৬ টি আইটেমের পর্যাপ্ত পরিমাণ থাকলেও রোগীকে শুনতে হয় ঔষধ নাই। সংগঠক কবির আহমদ কোয়ার্টারে থাকলেও অফিস খুলেননি একদিনও। সবসময় তার লেবু বাগানে সময় দেন’।

 

এ ব্যাপারে শ্রম কল্যাণ সংগঠক কবির আহমেদ বলেন,’অফিস আমি খোলা রাখিনা,এ কথাটি সঠিক নয়। আর লেবু বাগান করা দোষের নয়। এটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়। তা হলে অফিসে সময় পাওয়া যায়না কেন? প্রশ্ন করলে তিনি কোন উত্তর দিতে পরেননি’।

 

ডা: নিবাস চন্দ্র পাল বলেন,’আমার প্রথম পোষ্টিং ফুসকুড়ি শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে ছিল। আর আমি ফুসকুড়ি শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র যাইনা অভিযোগটি ঠিক নয়। বর্তমানে আমি অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। সাপ্তাহে ২ দিন সেখানে যাই। আমাকে এই দায়িত্ব থেকে সরানোর জন্য বারবার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি। আর কেন্দ্রে ১২ টি পদের বিপরীতে লোক আছে ২ জন। এই শূন্য পদে লোক নিয়োগের জন্য বারবার লিখেছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ নিয়োগ না দিলে কি করবো। শ্রম কল্যাণ সংগঠক কবির আহমদের বিষয়ে আমি কোন অভিযোগ পাইনি। এখন বিষয়টি খতিয়ে দেখবো। এ ব্যাপারে শ্রম অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলামের সাথে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি ফোনকল রিসিভ করেননি’।

সিলেট নিউজ/এসডি.


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code