শিরোনাম
প্রশাসনিক জটিলতায় স্থবির সিলেট ইনক্লুসিভ স্কুল, তদন্ত প্রতিবেদনেও মিলছে না সমাধান কুলাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে ডা. বর্ণালী দাশ ইরা’র”লাইট”প্রকল্পর উদ্যোগে শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় সাংবাদিকতার আড়ালে কার্ড বাণিজ্য: টাকার বিনিময়ে তৈরি হচ্ছে ‘সাংবাদিক’ প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মৌলভীবাজার স্বেচ্ছাসেবক দলে স্বাগত মিছিল দোয়ারাবাজারে কমিউনিটি সেফটি ফোকাল মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত সরকারের বাজেট বনাম গৃহহীন, ভূমিহীন, ভাসমান তাদেরও গুনতে হবে বছরে বিশ হাজার টাকার বেশি জকিগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যানে প্রার্থী হতে চান হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রবাসী দলের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেয়াল নির্মাণে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, ৯৯৯-এ কল করে সহায়তা নিলেন জমির মালিক রাজাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

প্রশাসনিক জটিলতায় স্থবির সিলেট ইনক্লুসিভ স্কুল, তদন্ত প্রতিবেদনেও মিলছে না সমাধান

Coder Boss / ৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

Manual2 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা ও বিকাশের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি সংবেদনশীল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিলেট ইনক্লুসিভ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ আকলিমা বেগমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত একাধিক অভিযোগের তদন্ত শেষে সত্যতা পেয়েছে সিলেট জেলা শিক্ষা অফিস। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হলেও প্রায় চার মাস ধরে বিষয়টি জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

নিয়োগের শর্ত ভঙ্গ, ছুটির বিধি লঙ্ঘন, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া উচ্চতর শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকা, প্রশাসনিক নির্দেশনা অমান্য এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগসহ বিভিন্ন বিষয়ে তদন্ত শেষে জেলা শিক্ষা অফিস এ প্রতিবেদন দাখিল করে।

তদন্ত শেষে সিলেট জেলা শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ গত ২ জানুয়ারি একটি প্রতিবেদন সিলেটের জেলা প্রশাসক ও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির কাছে জমা দেন। পাঁচ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং ‘প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কিত সমন্বিত বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা-২০১৯’-এর ধারা ২৩-এর পরিপন্থী কার্যক্রমের উল্লেখ করা হয়েছে।

Manual2 Ad Code

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, মোছাঃ আকলিমা বেগমের কর্মকাণ্ড প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। অটিজম ও এতিম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তার অসদাচরণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া মাতৃত্বকালীন ছুটির আবেদন, ছুটি ভোগের প্রক্রিয়া এবং কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে পদোন্নতির আবেদন সংক্রান্ত বিষয়েও আপত্তি তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, স্কুল ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং কমিটিকে অবহিত না করে তিনি জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতির জন্য আবেদন করেছিলেন, যা গত বছরের ২ অক্টোবর বাতিল হয়।

Manual1 Ad Code

তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে সংযুক্তির সুপারিশ করে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে চিঠি পাঠান সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলম। তবে চিঠি পাঠানোর প্রায় চার মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষিকা কয়েকজন খণ্ডকালীন শিক্ষককে নিয়ে একটি বলয় তৈরি করে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছেন। তারা প্রধান শিক্ষক, পরিচালনা পর্ষদ, জেলা প্রশাসন ও তদন্তকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

Manual7 Ad Code

সিলেট মহানগরীর বাগবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সিলেট ইনক্লুসিভ স্কুল অ্যান্ড কলেজ একটি বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে অটিজমসহ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, চিকিৎসা সহায়তা ও বিকাশমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের আচরণ ও দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং কমিটির সভা আহ্বান করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মোছাঃ আকলিমা বেগমের সঙ্গে থাকা তিনজন খণ্ডকালীন শিক্ষক—মোঃ মিনহাজুল ইসলাম, মোঃ রুহুল আমিন ও মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম—কেও একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে লিখিত কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

Manual8 Ad Code

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত পক্ষ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করে বিভিন্ন পর্যায়ে আবেদন করেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক কার্যক্রম জেলা প্রশাসক ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার যৌথ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সিলেট ইনক্লুসিভ স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক ফারজানা ইশরাত বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত হয়েছে এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলম ও জেলা শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code