নিজস্ব প্রতিনিধি:
সম্প্রতি একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “শহীদ জিয়া কলেজের প্রিন্সিপাল মো. আলমগীর হোসেন এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়, মামলা করায় সহকর্মী বাদলের পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর। উক্ত সংবাদের কোনো তথ্যই সত্য নয় এবং এসব অভিযোগের সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই।
বিশেষ করে, একজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারির ওপর হামলার নির্দেশ প্রদান কিংবা এ ধরনের কোনো ঘটনার সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততার অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট ও অসত্য। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর কোনোটিই এখন পর্যন্ত কোনো আদালতের চূড়ান্ত রায় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।
আমি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে আমি মনে করি।
সাংবাদিকতার নৈতিকতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও তথ্য যাচাইয়ের নীতি অনুসরণ করে সংবাদ প্রকাশ করা প্রত্যেক সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব। তাই সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ, একপাক্ষিক ও যাচাইবিহীন তথ্য প্রকাশ থেকে বিরত থেকে আমার এই প্রতিবাদটি একই গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করবেন এবং পাঠকদের সামনে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরবেন। প্রতিবাদকারীমো. আলমগীর হোসেন
অধ্যক্ষ শহীদ জিয়া মহিলা কলেজ মিরপুর-১২/ই, পল্লবী, ঢাকা।