শিরোনাম
পহেলা মে, শ্রমিক দিবস, এর মানে গরিবের দিবস, এখানে কোনদিন সফলতা আসেনি কোনো শ্রমিকের! ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ে আধুনিক গেইট নির্মাণে ভিত্তিপ্রস্তর কবিতা- বন্যার কারণে পথের ভিখারি বেতন সাকুল্যে সামান্য, কিন্তু সম্পদ কোটির ওপরে: কে এই প্রভাবশালী পিয়ন? মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে গভর্নিং বডির নির্বাচন দাবিতে অভিভাবকদের স্মারকলিপি রাজনৈতিক বিশ্লেষক, প্রভাবশালী কলামিস্ট, রাষ্ট্রচিন্তক- অথই নূরুল আমিন লেখালেখি করেছেন ​বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নে কেমন চেয়ারম্যান চায় সাধারণ মানুষ? বানারীপাড়ায় ব্র্যাক ‘শিখা’র অরিয়েন্টেশন সভা নিয়ে বিতর্ক: মূল স্টেকহোল্ডারদের বাদ দিয়ে ‘প্রহসনের’ সভার অভিযোগ তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগরীর ১৫নং ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজার শেরপুরে হাইওয়ে পুলিশের অভিযানে ২২ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ, চালক গ্রেপ্তার
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ছাতকের ঈদের বাজারে করোনাকে পাত্তা দিচ্ছেন না ক্রেতা বিক্রেতা

Coder Boss / ৮১১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২০

Manual3 Ad Code

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
করোনা সারাবিশ্বে মহামারি রূপ নিয়েছে। সরকার স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বার বার তাগিদ দিচ্ছে। কিন্তু ছাতক বাজার দেখলে মনে হবে তারা স্বাস্থ্যবিধির পক্ষে না। অবাধে চলাফেরা করছেন। মুখে মাস্ক নেই, হাতে নেই গ্লাভস। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে নেই শারিরীক দূরত্ব। একে অন্যের সাথে ঘেঁষাঘেষি করে কেনাকাটা করছেন। ১০ মে থেকে দোকান-পাট খোলার একটি সরকারী নির্দেশনা জারি হয়েছিল। তাও আবার সীমিত আকারে। কিন্তু এখানে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। ৮ মে থেকেই সকল দোকান-পাট খুলে গেছে। দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। কাজেই করোনা এখানে মহামারি রূপ নিতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকেই। বিশেষ করে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে কাপড়সহ বিভিন্ন দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতারা মনে করছেন মরলে মরে যাবো ঈদের কেনা-কাটা করেই ছাড়ব। হয়তো এই প্রত্যাশা নিয়েই মাঠে নেমেছেন সবাই। গ্রাম থেকে মেয়েরাও শহরে আসছেন ঈদের বাজার করতে। দিনে দিনে বেড়েই চলছে বাজারে লোক সমাগম। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পেপারমিল বাজার, নোয়ারাই, গবিন্দগঞ্জ, দোলারবাজার, জাউয়া বাজারসহ সব বাজারের চিত্র একই রকমের। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরে মাইকিং করা হয়েছে দোকান-পাট নির্দিষ্ট সময়ে খোলা ও বন্ধ করা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দোকানে ক্রয়-বিক্রয় করা। সরকারি নির্দেশনায় রয়েছে কোনো দোকানে ৫ জনের বেশি ভিড় করতে পারবেনা, বাধ্যতামূলক মাস্ক থাকতে হবে, প্রবেশমুখে জীবানুনাশক স্প্রে ছিটানোর ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনাও দেয়া হয়। কিন্তু কে কার কথা শুনে। এখানের দোকানদারা তা মানছেন না। সামাজিক সচেতনতার জন্য প্রতিদিন উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্যবিভাগ, পুলিশ প্রসাশন, সামাজিক সংগঠন ও ব্যাক্তি উদ্যোগে ব্যাপক প্রচারনা করা হয়। দেখা যাচ্ছে এসব প্রচারনা যেনো কারো কানে পৌছায়নি। ঘরে থাকা মানুষের জন্য সরকারি-বেসরকারি ত্রান ঘরে ঘরে পৌছে দেয়া হচ্ছে। এরপরও মানুষ ঘরে থাকতে চাচ্ছেনা। ফলে ঝুঁকির মুখে এখন শহরবাসী। এ ব্যাপারে সচেতন মহলের দাবী বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারী আবশ্যক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code