আজ ৬ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সময় : দুপুর ২:০২

বার : বুধবার

ঋতু : শীতকাল

এক অসহায় শিক্ষকের মানবিক আবেদন।

বিত্তবান দানশীল নাগরিকদের প্রতি এক অসহায় শিক্ষকের মানবিক আবেদন।

সম্মানিত সুধী
আসসালামু আলাইকুম

বিষয়ঃ মানবেতর জীবনযাপনকারী অসহায় শিক্ষক / শিক্ষিকাদের প্রতি মানবিক বিবেচনায় সহযোগিতার আহ্বান।বিত্তবান দানশীল নাগরিকদের প্রতি এক অসহায় শিক্ষকের মানবিক আবেদন। সম্মানিত সুধী আসসালামু আলাইকুম বিষয়ঃ মানবেতর জীবনযাপনকারী অসহায় শিক্ষক / শিক্ষিকাদের প্রতি মানবিক বিবেচনায় সহযোগিতার আহ্বান। হে সচেতন নাগরিকবৃন্দ! আমি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বান্দরবান পার্বত্য জেলা লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নে অবস্থিত ধুইল্যাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন অসহায় প্রধান শিক্ষক। আপনারা নিশ্চয় অবগত যে কোভিট-১৯ বা করোনা ভাইরাসের কারণে আজ পূরা পৃথিবী স্থবির বাংলাদেশও এর বাহিরে নয়। দেশের নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য সরকার বিভিন্ন মিয়াদে সাধারণ ছুটি ঘোষনা করেছেন।ফলে বিভিন্ন পেশার মানুষ ঘরে বা বাসায় অবস্হান করছেন। ফলশ্রুতিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ রয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা সরকারিভাবে বেতন- ভাতা পেলেও আমরা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা বেতন ভাতা পায়না সম্পূর্ণ বিনাবেতনে আমাদের চাকুরি আপনাদের বিশ্বাস হয় কি না জানি না তবে এটাই সত্যি। যার ফলে আমরা বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা জীবনধারণের জন্য স্কুল টাইমের পর পার্টটাইম টিউশনি বা অন্য কিছু করে কোন রকম দিনাতিপাত করতাম। এখন তাও বন্ধ হওয়ায় আজ দীর্ঘ দিন থেকে খেয়ে না খেয়ে অনাহারে অর্ধহারে মানবেতর জীবনযাপন করছি। অথচ সরকারি স্কুলের শিক্ষকেরা বেতন-বোনাস সকল সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে কিন্তু আমাদের খবর রাখার মত দেশে কেউ নাই কি মর্মান্তিক বিষয় আপনারা নিজেরাই ভেবে দেখুন। এতদিন চোখ লজ্জার কারণে কারো কাছে বলারও সাহস পাই নি। এখন আমাদের অবস্থা শোচনীয় আকার ধরন করছে যার ফলশ্রুতিতে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন নাগরিকদের উদ্দেশ্যে মানবিক দৃষ্টিতে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানাতে বাধ্য হলাম। আশা করি আমরা দুমুঠো খেয়ে পরে বেচে থাকতে পারি মত সবাই সাহায্যের হাত বাড়াবেন। ধুইল্যাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক/ শিক্ষিকার পক্ষে মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন প্রধন শিক্ষক অত্র বিদ্যালয়। ০১৮৩৭৫৮৬২৬৩

হে সচেতন নাগরিকবৃন্দ!
আমি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বান্দরবান পার্বত্য জেলা লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নে অবস্থিত ধুইল্যাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন অসহায় প্রধান শিক্ষক।
আপনারা নিশ্চয় অবগত যে কোভিট-১৯ বা করোনা ভাইরাসের কারণে আজ পূরা পৃথিবী স্থবির বাংলাদেশও এর বাহিরে নয়। দেশের নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য সরকার বিভিন্ন মিয়াদে সাধারণ ছুটি ঘোষনা করেছেন।ফলে বিভিন্ন পেশার মানুষ ঘরে বা বাসায় অবস্হান করছেন। ফলশ্রুতিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ রয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা সরকারিভাবে বেতন- ভাতা পেলেও আমরা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা বেতন ভাতা পায়না সম্পূর্ণ বিনাবেতনে আমাদের চাকুরি আপনাদের বিশ্বাস হয় কি না জানি না তবে এটাই সত্যি। যার ফলে আমরা বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা জীবনধারণের জন্য স্কুল টাইমের পর পার্টটাইম টিউশনি বা অন্য কিছু করে কোন রকম দিনাতিপাত করতাম। এখন তাও বন্ধ হওয়ায় আজ দীর্ঘ দিন থেকে খেয়ে না খেয়ে অনাহারে অর্ধহারে মানবেতর জীবনযাপন করছি। অথচ সরকারি স্কুলের শিক্ষকেরা বেতন-বোনাস সকল সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে কিন্তু আমাদের খবর রাখার মত দেশে কেউ নাই কি মর্মান্তিক বিষয় আপনারা নিজেরাই ভেবে দেখুন। এতদিন চোখ লজ্জার কারণে কারো কাছে বলারও সাহস পাই নি। এখন আমাদের অবস্থা শোচনীয় আকার ধরন করছে যার ফলশ্রুতিতে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন নাগরিকদের উদ্দেশ্যে মানবিক দৃষ্টিতে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানাতে বাধ্য হলাম। আশা করি আমরা দুমুঠো খেয়ে পরে বেচে থাকতে পারি মত সবাই সাহায্যের হাত বাড়াবেন।বিত্তবান দানশীল নাগরিকদের প্রতি এক অসহায় শিক্ষকের মানবিক আবেদন। সম্মানিত সুধী আসসালামু আলাইকুম বিষয়ঃ মানবেতর জীবনযাপনকারী অসহায় শিক্ষক / শিক্ষিকাদের প্রতি মানবিক বিবেচনায় সহযোগিতার আহ্বান। হে সচেতন নাগরিকবৃন্দ! আমি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বান্দরবান পার্বত্য জেলা লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নে অবস্থিত ধুইল্যাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন অসহায় প্রধান শিক্ষক। আপনারা নিশ্চয় অবগত যে কোভিট-১৯ বা করোনা ভাইরাসের কারণে আজ পূরা পৃথিবী স্থবির বাংলাদেশও এর বাহিরে নয়। দেশের নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য সরকার বিভিন্ন মিয়াদে সাধারণ ছুটি ঘোষনা করেছেন।ফলে বিভিন্ন পেশার মানুষ ঘরে বা বাসায় অবস্হান করছেন। ফলশ্রুতিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ রয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা সরকারিভাবে বেতন- ভাতা পেলেও আমরা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা বেতন ভাতা পায়না সম্পূর্ণ বিনাবেতনে আমাদের চাকুরি আপনাদের বিশ্বাস হয় কি না জানি না তবে এটাই সত্যি। যার ফলে আমরা বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা জীবনধারণের জন্য স্কুল টাইমের পর পার্টটাইম টিউশনি বা অন্য কিছু করে কোন রকম দিনাতিপাত করতাম। এখন তাও বন্ধ হওয়ায় আজ দীর্ঘ দিন থেকে খেয়ে না খেয়ে অনাহারে অর্ধহারে মানবেতর জীবনযাপন করছি। অথচ সরকারি স্কুলের শিক্ষকেরা বেতন-বোনাস সকল সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে কিন্তু আমাদের খবর রাখার মত দেশে কেউ নাই কি মর্মান্তিক বিষয় আপনারা নিজেরাই ভেবে দেখুন। এতদিন চোখ লজ্জার কারণে কারো কাছে বলারও সাহস পাই নি। এখন আমাদের অবস্থা শোচনীয় আকার ধরন করছে যার ফলশ্রুতিতে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন নাগরিকদের উদ্দেশ্যে মানবিক দৃষ্টিতে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানাতে বাধ্য হলাম। আশা করি আমরা দুমুঠো খেয়ে পরে বেচে থাকতে পারি মত সবাই সাহায্যের হাত বাড়াবেন। ধুইল্যাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক/ শিক্ষিকার পক্ষে মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন প্রধন শিক্ষক অত্র বিদ্যালয়। ০১৮৩৭৫৮৬২৬৩বিত্তবান দানশীল নাগরিকদের প্রতি এক অসহায় শিক্ষকের মানবিক আবেদন। সম্মানিত সুধী আসসালামু আলাইকুম বিষয়ঃ মানবেতর জীবনযাপনকারী অসহায় শিক্ষক / শিক্ষিকাদের প্রতি মানবিক বিবেচনায় সহযোগিতার আহ্বান। হে সচেতন নাগরিকবৃন্দ! আমি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বান্দরবান পার্বত্য জেলা লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নে অবস্থিত ধুইল্যাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন অসহায় প্রধান শিক্ষক। আপনারা নিশ্চয় অবগত যে কোভিট-১৯ বা করোনা ভাইরাসের কারণে আজ পূরা পৃথিবী স্থবির বাংলাদেশও এর বাহিরে নয়। দেশের নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য সরকার বিভিন্ন মিয়াদে সাধারণ ছুটি ঘোষনা করেছেন।ফলে বিভিন্ন পেশার মানুষ ঘরে বা বাসায় অবস্হান করছেন। ফলশ্রুতিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ রয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা সরকারিভাবে বেতন- ভাতা পেলেও আমরা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা বেতন ভাতা পায়না সম্পূর্ণ বিনাবেতনে আমাদের চাকুরি আপনাদের বিশ্বাস হয় কি না জানি না তবে এটাই সত্যি। যার ফলে আমরা বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা জীবনধারণের জন্য স্কুল টাইমের পর পার্টটাইম টিউশনি বা অন্য কিছু করে কোন রকম দিনাতিপাত করতাম। এখন তাও বন্ধ হওয়ায় আজ দীর্ঘ দিন থেকে খেয়ে না খেয়ে অনাহারে অর্ধহারে মানবেতর জীবনযাপন করছি। অথচ সরকারি স্কুলের শিক্ষকেরা বেতন-বোনাস সকল সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে কিন্তু আমাদের খবর রাখার মত দেশে কেউ নাই কি মর্মান্তিক বিষয় আপনারা নিজেরাই ভেবে দেখুন। এতদিন চোখ লজ্জার কারণে কারো কাছে বলারও সাহস পাই নি। এখন আমাদের অবস্থা শোচনীয় আকার ধরন করছে যার ফলশ্রুতিতে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন নাগরিকদের উদ্দেশ্যে মানবিক দৃষ্টিতে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানাতে বাধ্য হলাম। আশা করি আমরা দুমুঠো খেয়ে পরে বেচে থাকতে পারি মত সবাই সাহায্যের হাত বাড়াবেন। ধুইল্যাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক/ শিক্ষিকার পক্ষে মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন প্রধন শিক্ষক অত্র বিদ্যালয়। ০১৮৩৭৫৮৬২৬৩

ধুইল্যাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক/ শিক্ষিকার পক্ষে
মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন
প্রধন শিক্ষক
অত্র বিদ্যালয়।
০১৮৩৭৫৮৬২৬৩

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category