শিরোনাম
এবার বুঝি হবে ফুটওভার ব্রিজ’: সাবিয়া খেয়াঘাটে জনদাবির আবেদনে এমপি নাসের রহমানের তাৎক্ষণিক সুপারিশ আল্লামা দুবাগী ছাহেব (রহ.)-এর ৬ষ্ঠ বার্ষিক ঈসালে সাওয়াব মাহফিল ১২ জুলাই ২০২৬ইং দুর্ভোগে জগন্নাথপুর বাসুদেব বাড়ি এলাকার বাসিন্দারা: পৌরসভায় বারবার লিখিত দিয়েও মেলেনি প্রতিকার, জলাবদ্ধ রাস্তায় হাঁটুপানি জগন্নাথপুরে যোগাযোগে নতুন দিগন্ত: চার লেন সড়ক নির্মাণে এমপি কয়ছর এম আহমেদের বড় উদ্যোগ গ্রামীণফোনের আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার ও মামলার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন মৌলভীবাজার ব্রাহ্মণগ্রামে বাথরুম থেকে যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, ঘাতক আটক ঐতিহ্য হারাচ্ছে জগন্নাথপুরের বাঁশ শিল্প: কালবৈশাখীতেও মিলছে না ক্রেতা, বিক্রি নেমেছে তলানিতে বিশ্বনাথে জাতীয় সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ জগন্নাথপুরেআইএফআইসি ব্যাংকের উদ্যোগে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত বানারীপাড়ায় প্রথমবারের মতো জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত, ঋণ ও চারা বিতরণ
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বাংলাদেশের ভুল রাজনীতি বনাম ক্ষমতায় আসা যাওয়ার কি নিদারুণ করুণ পরিণতিতে পরিণত

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ১৮১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

Manual5 Ad Code

অথই নূরুল আমিন:

Manual2 Ad Code

বাংলাদেশ স্বাধীন করা হলো, সেই স্বাধীনতা নিয়ে আজও পর্যন্ত তুমুল বিতর্ক রয়ে গেলো। বিশেষ করে রাজনীতি অঙ্গনে যার যার মত করে তাদের কর্তৃত্ব নেবার চেষ্টায় সবাই ব‍্যস্ত রইল। কিন্তু দেশের ভুল রাজনীতি আর হিংসাত্মক মনোভাব রয়ে গেলো সবার মাঝে। এখানে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে বোকার মত একা একাই বড় হতে চাইল। এই ধরনের মনোভাব রাজনীতি অঙ্গনে থাকার কারণে দেশের সামাজিক সৌন্দর্য কঠিন ভাবে নষ্ট হয়ে গেলো।

অন‍্য দিকে ভাইয়ের শত্রু ভাই প্রতিবেশির শত্রু প্রতিবেশি হয়ে গেলো। যার জন‍্য সাধারণ জনগণ প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার স্বাদ আর পেলো না। এখানে হয়ে গেলো জোর যার মুল্লুক তার অবস্থা। দেশ স্বাধীনের পরপরই দেশের সকল ক্ষমতার একক মালিক দাবি করতে থাকল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এবং আওয়ামী পন্থী মুক্তিযোদ্ধারা।

এরকম এক তরফা ক্ষমতা দেখে তৎকালীন সময়ের ৮০% জনগণ খুবই বিরক্ত হয়ে গেলো। তখনকার সময়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জগণ্য অন‍্যায় করলেও সামাজিক বা আইনগত ভাবে তাদের কোনো বিচার সহজে হতো না। অনেক মুক্তিযোদ্ধারা তারাও প্রকাশ‍্য দিবালোকে অন‍্যের সম্পদ আত্মসাত অনেক মুক্তিযোদ্ধারা ডাকাতি পেশায় জড়িয়ে যায়। এককথায় সর্ব কাজে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটা কর্তৃত্ব বেসামাল ছিলো।

Manual2 Ad Code

এমন একটা দুর্যোগ সময়ে মানুষ যখন অর্থাভাবে ছিলো। নিরাপত্তাহীন ছিলো। এমনকি অসংখ্য জনগণ সামাজিক মর্যাদা পর্যন্ত পায়নি। ঠিক এরকম ভাবে যখন দেশের ৮০% জনগণ সেদিন মাত্র কয়েক বছরের ব‍্যবধানে আওয়ামী বিরোধীও মুক্তিযোদ্ধা বিরোধী হয়ে উঠল। ঠিক তখনই একদল সেনাসদস‍্য ধারা শেখ মুজিব এবং তাঁর পরিবারের সবাইকে হত‍্যা করা হলো।

১৯৭৫ সালের পনেরো আগস্ট এই হত‍্যা কান্ড ঘটানো হয়, সঙ্গে সঙ্গে আত্মগোপনে চলে যায় আওয়ামী নেতাকর্মীরা এবং আওয়ামী পন্থী মুক্তিযোদ্ধারা। তার বড় কারণ ছিলো। তারা সবাই জানত তারা অপরাধী। তাই দেশে তেমন কোনো প্রতিবাদ মিছিল ছিলো না। মানব বন্ধন ছিলো না। কিচ্ছু না। এখানে একটি বিষয় লক্ষ্য করা যায় যে, যেখানে দেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষেরা স্বাধীনতা চেয়েছিল। হাতে গোনা কিছু লোক ছাড়া। সেখানে দেশ স্বাধীনের পর আওয়ামী নেতাকর্মীরা ও মুক্তিযোদ্ধারা অহংকারী হয়ে উঠে সবাই। তারা ভিন্ন মতের জনগণ তথা গরিব শ্রেণির সাধারণ জনগণকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে থাকে। এরকম ইতিহাস অনেকেরই জানা। (পর্ব এক )

Manual8 Ad Code

অথই নূরুল আমিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক কলাম লেখক ও রাষ্ট্রচিন্তক
মুখপাত্র জাতীয় মানবসম্পদ উইং।

Manual1 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code