আজ ৬ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সময় : সকাল ১০:০৭

বার : রবিবার

ঋতু : বর্ষাকাল

সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইব্রাহিম খলিল করোনার টিকা দিলেন

সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারা উপজেলার.১নং বাংলা বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইব্রাহিম খলিল করোনার টিকা দিলেন.

এ সময় তিনি বলেন, সরকারি আইন অনুযায়ী টিকা দেওয়া আসষ্যক.আমি সরকারের আইনের প্রতি সবসময় শ্রদ্ধাশীল করোনার টিকা নিলে ভয়ের কোন কারন নেই.

করুনার টিকা নেওয়ার পর একজন ব্যক্তির শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে এবং এরপর ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যাবে।

 

অবশ্য একবার বা তিন সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার টিকা নেওয়ার পর রোগপ্রতিরোধ কত দিন কার্যকর থাকবে, সেটা হিসাবে রাখতে হবে।

 

এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বিজ্ঞানীরা বলতে পারছেন না। তবে সাধারণভাবে বলা হয়, দুই কোর্স টিকায় কয়েক মাস তো বটেই, এমনকি কয়েক বছরও চলতে পারে। যদি এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হনও, তার তীব্রতা কম হবে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন।

আমাদের দেশে কবে টিকা আসবে এবং কীভাবে ঝুঁকিগ্রস্ত মানুষেরা পর্যাপ্ত টিকা পাবেন, সেটা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি ।

হয়তো দ্রুততম সময়েই আসবে। আবার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগেও কিছু টিকা আমদানি করা হবে। ফলে কিছুটা আশাবাদী হওয়া যায়।

কিন্তু টিকা সঠিক কোল্ড চেইনে রাখা হচ্ছে কি না বা নকল টিকা আসছে কি না, সেসবও কঠোর তত্ত্বাবধানে রাখতে হবে।

সাধারণত একটি দেশ বা অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর ৭০–৮০ শতাংশ টিকা নিলে বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠলে ওই অঞ্চলে সেই ভাইরাস ছড়ানোর সুযোগ সীমিত হয়ে আসে বলে ধরে নেওয়া হয়।

কারণ, একজন করোনায় আক্রান্ত হলেও তার চারপাশে অন্তত চারজন করোনা প্রতিরোধী থাকবেন। ফলে ওই আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্য কারও করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা অনেক কমে যাবে।

একসময় আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আরও কমে যাবে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে পর্যাপ্ত টিকা নিশ্চিত হলেই বিশ্ব করোনাভাইরাসের মহামারি থেকে মুক্ত হয়ে যাবে।

 

এই অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে বেশ কয়েক বছর লাগবে, সীমিত এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে হয়তো চলতেই থাকবে। অবশ্য সেটা নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে না। তাই টিকা শেষ অধ্যায় নয়।

বলা যায়, করোনার শেষ অধ্যায়ের শুরু। করোনাভাইসের টিকা নেওয়ার পরও বেশ কয়েক বছর পর্যন্ত আমাদের মাস্ক ব্যবহার, সাবান দিয়ে বারবার হাত ধোওয়া, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। প্রকৃতপক্ষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলেও দৈনন্দিন জীবনযাপন প্রণালিতে কিছু স্থায়ী ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে।

এর আগে সার্স ও অন্য কিছু মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগের কারণে জাপানসহ বেশ কিছু দেশে আমরা দেখেছি, রোগের প্রকোপ না থাকলেও ঘরের বাইরে চলাফেরায় মানুষ মাস্ক ব্যবহার করেন, হ্যান্ডশেক এড়িয়ে চলেন।

 

তখন আমরা এর কারণ বুঝতাম না, এখন বুঝতে পারি কেন তাঁরা এত সতর্কভাবে চলাফেরা করতেন। আমাদেরও সেই চর্চা রাখতে হবে। সবার সু সাস্থ কামনা করছি ভালো থাকুক আমার বাংলাবাজার ইউনিয়ন বাসী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category