আজ ২৭শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সময় : সকাল ৮:০৫

বার : সোমবার

ঋতু : গ্রীষ্মকাল

শ্রমিকের ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার আগেই তার মজুরি পরিশোধ করে দাও

বিশেষ প্রতিনিধিঃ-

“শ্রমিকের ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার আগেই তার মজুরি পরিশোধ করে দাও ” শনিবার
মোঃ উপরু মিয়া মহালদার (উপজেলা ধর্মবিষয়ক সম্পাদক, শ্রীমঙ্গল,মৌলভীবাজার, ও জাতীয় শ্রমিকলীগ, সহ-সভাপতি মৌলভীবাজার জেলা,)একবার্তায় আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, মহান মে দিবসে কেটে খাওয়া সব মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ,
মহান মে দিবস আমাদের সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে শেখায়। মে দিবস শ্রমিক শ্রেণীর উপর নির্যাতন ও বন্ঞার বিরোধে প্রতিবাদ শেখায়। তিনি বলেন যারা শ্রমজীবী মানুষের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলে মে দিবসে তাদের প্রতিরোধ শেখায়। আজ শনিবার এক বিবৃতিতে শেখ উপরু মিয়া বলেন, নভেল করোনা ভাইরাস মোকাবিলা এখন সারা বিশ্বের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিবছর আমরা নানা আয়োজনে তা আমরা উদযাপন করি। কিন্তু এবারের বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন তাই কোন আয়োজন ছাড়াই ঘরে বসে এ দিন টি পালন করতে হবে।

শেখ মোঃ উপরু মিয়া মহালদার বলেন, মহামারি করোনাকালে খেটেখাওয়া শ্রমজীবী মানুষের প্রতি সবাই সদয় থাকুন। রমজান এবং ঈদকে সামনে রেখে শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস সময় মত পরিশোধ করুন। যে কোন ন্যায্য দাবী আদায়ে শ্রমিদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তিনি, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা বলেন এই দুঃসময় বেশি দিন থাকবে না, প্রকৃতিক আবারও স্বাভাবিক হবে নিরাপদ হবে আমাদের প্রিয় পৃথিবী আমরা নামাজ পড়ে মহান আল্লাহ দরবারে মোনাজাত করবো দেশ বিদেশের সকল শ্রমজীবী মানুষ কে আল্লাহ ভালো রাখতেন ও নিরাপদ রাখতেন, যে কোন পরিস্হিতিতে আমরা দেশও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবো।

উল্লেখ যে “শ্রমিকদের সম্মান দিয়ে কথা বলুন, তাদের পরিশ্রমে আপনাদের বেতন হয়।”
আরো বলেছিলেন জাতির পিতা কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষকে বেশি ভালবাসতেন। তিনি আজীবন শোষিত, বঞ্চিত, নিপীড়িত, নির্যাতিত শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছেন।
বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “আপনি চাকরি করেন আপনার মায়না দেয় ঐ গরীব কৃষক, আপনার মায়না দেয় ঐ গরীব শ্রমিক। আপনার সংসার চলে ঐ টাকায়, আমি গাড়ি চলি ঐ টাকায়। ওদের সম্মান করে কথা বলুন, ওদের ইজ্জত করে কথা বলুন, ওরাই মালিক”
১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এর সদস্যপদ লাভ করে।
বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে পহেলা মে’কে মে দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং সরকারী ছুটি ঘোষণা করেন।
মহান স্বাধীনতা লাভের পরেই জাতির পিতা নব প্রণীত সংবিধানের বেশ কয়েকটি অনুচ্ছেদে শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের অধিকারের বিষয় সুদৃঢ়করণ করেন।

-জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

মহান মে দিবসে বিশ্বের সকল শ্রমজীবি মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা।

আপনাদের পাশে সুখে দুঃখে থাকবো ইনশাআল্লাহ, আপনাদের শান্তি দেশেরশান্তি দেশ এগিয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category