শিরোনাম
আসহাবে কাহাফের ঈমানদীপ্ত অলৌকিক ঘটনাটি মুসলিম উম্মাহর সামনে তুলে ধরেছেন। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন, উৎসবমুখর আয়োজনে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা সরকার অগোছালো কাজ করেই যাচ্ছে, বিরোধী দল ঘুমে আচ্ছন্ন, সফলতা আসেনি জুলাই যোদ্ধাদের পুলিশের এডিশনাল আইজিপি ডি আইজি সহ একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে সালমান ওভার সিজের অভিনব প্রতারণার ফাদ সিলেট নিউজে সংবাদ প্রচারে প্রতারক ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে জয়নগর পাওয়ার গ্রিডের গেটে হাজিরা দিচ্ছেন সহকারী শিক্ষিকা নিলুফার ইয়াসমিন দুর্গাপূজার আনন্দ ছড়িয়ে দিতে জৈন্তাপুরে শাড়ি ও চাল বিতরণ মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী (হেলিম): এক কীর্তিমান ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত জীবনী জগন্নাথপুর আনন্দময়ী ও বাদ্য আর অঞ্জলিতে মণ্ডপে মণ্ডপে উদযাপিত হচ্ছে মহানবমী নিয়োগ জালিয়াতি ও চাঁদাবাজিসহ তিনজন শিক্ষকের বেতন বন্ধের মামলায় রানীগঞ্জ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কবিতার নাম : দেশপ্রেমিক ইশরাক
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

শীতে এসেছে;ঘরোয়া উপায়ে টনসিলের উপশম সম্ভব !

Coder Boss / ৪৩৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ নভেম্বর, ২০২১

Manual7 Ad Code

সিলেট হেল্থ ডেস্ক:

Manual5 Ad Code

শীতে যে কোনও সংক্রমণই বাড়ে। সেই সঙ্গে সর্দি-কাশির সমস্যা লেগেই থাকে। এবছর করোনার আবহে সংক্রমণের ভয়টা একটু বেশিই। সিজন চেঞ্জে বিশেষত এই শীতকালে অনেকেই টনসিলের সমস্যায় ভোগেন। জিভের পিছনের প্রান্তে গলার দু’পাশে যে গোলাকার পিণ্ডটি দেখা যায়,তা-ই টনসিল। মূলত মুখ,নাক,গলা থেকে কোনও প্রকার রোগজীবাণু যাতে কোনও ভাবে শরীরে ঢুকতে না পারে,সে দিকেই খেয়াল রাখে টনসিল।
ঠান্ডা লাগলে টনসিলে সংক্রমণ হয়ে থাকে। তখন ঢোক গিলতে ও কথা বলতেও অসুবিধা হয়, গলায় ব্যথার কারণে কাশতে গেলেও কষ্ট হয়। মনে হয় গলায় কাঁটার মতো কিছু বিঁধে রয়েছে। ফলে খাবার খেলেই বমি হয়ে যায়। টনসিলে সংক্রমণ হলে জ্বর থাকে। সেই সঙ্গে গলা শুকিয়ে যাওয়া,চুলকোনো এসবও থাকে। টনসিলের সমস্যা অনেকেরই এমন বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছায় যে তারা অপারেশন করাতে বাধ্য হয়। কিন্তু অপারেশন করালেও টনসিল ফিরে আসে। টনসিলের ধাত যাদের থাকে তারা প্রথমেই অ্যান্টিবায়োটিকের দিকে ঝোঁকেন।
ঠান্ডা লাগা থেকে হতে পারে টনসিলের সমস্যা। টনসিল বাড়লে ঢোক গিলতে গেলেও কষ্ট হয়। মুখ-গলা, নাক, কান দিয়ে শরীরের অভ্যন্তরে জীবাণু প্রবেশে বাধা দেয় এই টনসিল। তাই টনসিল আক্রান্ত হলে জীবাণুর প্রকোপ বাড়ে,বাড়ে অন্যান্য অসুখের ভয়ও। টনসিলের সংক্রমণ দু’-এক দিনে কাটেও না।
খাদ্যকণা জমে গিয়ে,ব্যাকটেরিয়া বা শ্লেষ্মার জন্য নয়,বরং ত্বকের মৃত কোষ,লালার জন্যও টনসিল স্টোন তৈরি হয়। যখন ওই খাদ্যকণাগুলি টনসিলের পাশে পকেট বা গর্তের মধ্যে আটকে যায়,জমে যায় তখন সেটি পাথরের আকার ধারণ করে। এরপর ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের প্রভাবে তা মারাত্মক আকার ধারণ করে।
তাই,সমস্যা সমাধানের জন্য তাড়াহুড়ো কিছু করতে যাবেন না। ঘরোয়া প্রতিকারেও এই রোগ সেরে যাওয়া সম্ভব। তবে মারাত্মক আকার ধারণ করেল অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কয়েকটি সহজ ও উপকারী ঘরোয়া প্রতিকার অনুসরণ করলে ভাল ফল পেতে পারেন।
চলুন ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে উপশম হয় টনসিলের। দেখে নেয়া যাক সেগুলো কি কিঃ-
(১) মধুঃ- কাশির সমস্যায় সারা বছর তুলসি পাতা আর মধু দিয়ে অনেকেই খান। আর গলার জন্য মধু খুবই উপকারী। মধু আর জ্যোষ্ঠিমধু বেটে সারাবছর একসঙ্গে খেতে পারলে গলার সমস্যা কমে। এছাড়াও টনসিলের সমস্যায় গরম জল দিয়ে মধু খেলেও খুব ভালো উপকার পাওয়া যায়।
(২) নুন জলে গার্গলঃ- টনসিলের অর্বথ্য ওষুধ হল নুন জল দিয়ে গার্গল। এতে যে কোনও ব্যাকটেরিয়া থাকলে তা মরে যায়। সেই সঙ্গে গলা পরিষ্কার হয়। তাই গলার সমস্যা থাকলে সারা বছর গরম জলে নুন দিয়ে গার্গল করুন।
(৩) ক্যামোমাইল চাঃ- ক্যামোমাইলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়াও সমক্রমণ আটকায় ক্যামোমাইল। ক্যামোমাইলের নিজস্ব একটা গন্ধ রয়েছে। যা গলার সমস্যায় উপশম দেয়। বলা হয় ক্যামোমাইলের চা দিয়ে ভেপার নিলেও ভালো কাজ করে। সেই সঙ্গে গলা, নাক পরিষ্কার থাকে।
(৪) বেকিং সোডা দিয়ে গার্গলঃ- বেকিং সোডাও জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে। গরম জলে এক চিমটে বেকিং সোডা ফেলে গার্গল করুন। সারা দিনে তিনবার করতে পারলে খুব ভালো কাজে আসে।
(৫) রসুনঃ- রসুন গলার সমস্যার জন্য খুবই ভালো। যে কারণে রসুন আর মধু একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে বলা হয়। এছাড়াও বলা হয় প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রসুন রাখতে। এমনকী গরম ভাতে রসুন ভেজে মেখে খাওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়। রসুন খুব ভালো অ্যান্টিবায়োটিক। যে কারণে ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রেহাই মেলে।
(৬) মেথিঃ- গরম জলে মেথি ফেলে ফুটতে দিন। জল গরম হলে ওর মধ্যে চা পাতা ফেলে দিন। এরপর কিছুক্ষণ চাপা দিয়ে রেখে ছেঁকে খেয়ে নিন। এতে গলার সমস্যার সমাধান হয়। সেই সঙ্গে সংক্রমণ থেকেও রেহাই মেয়ে।
(৭) লেবুঃ- লেবু শরীরের টক্সিন দূর করতে খুব উপকারী। তাই টনসিলে সংক্রমণ হলে বা গলায় ব্যথা হলে হালকা গরম পানিতে এক চামচ লেবুর রস, এক চামচ মধু ও সামান্য লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। লবণ অ্যান্টি সেপটিক। তাই শরীরের অভ্যন্তরের সংক্রমণে লবণ খুব কার্যকর। এই মিশ্রণটি সেবন করুন। টনসিলের সমস্যা কমবে সহজে।

(৮) হলুদঃ- হলুদ টিস্যুকে প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। তাই গলার ব্যথা কমাতে অনেকেই ঘরোয়া উপায়ে এর ব্যবহার করেন। সেক্ষেত্রে এক কাপ দুধে সামান্য হলুদ মেশান। তার পর সেই দুধ ফুটিয়ে গরম গরম খান। এই হলুদ মেশানো দুধ টনসিলের সংক্রমণ বা গলা ব্যথার ক্ষেত্রে খুব কার্যকর।
(৯) গ্রীণ টীঃ- টনসিলের সমস্যা হলে গ্রিন টির মধ্যে দুই চামচ মধু মিশিয়ে ফোটান। মধুর অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল উপাদানের সঙ্গে গ্রিন টির অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান মিশে টনসিলকে আরাম দেয়। ঠান্ডা লাগার সমস্যা কমাতেও এই ঘরোয়া উপায় অত্যন্ত কার্যকর।

Manual1 Ad Code

টনসিল স্টোন হলে বুঝবেন যেভাবেঃ-
(ক) টনসিলের উপর ও পাশে হলুদ বা সাদা ধ্বংসাবশেষ।
(খ) কানে চরম ব্যাথা।
(গ) গলা ব্যাথা।
(ঘ) কাশি।
(ঙ) টনসিল ফুলে পেকে যাওয়া।
(চ) খেতে বা ঢোঁক গিলতে অসুবিধা।
স্টোন ও টনসিল ব্যথা বা ফুলে যাওয়া প্রতিরোধ করবেন যেভাবেঃ-
কাশি ও টনসিলের ব্যাথা হলে কাশি আপনার হবেই। প্রাকৃতিকভাবে কাশির উপশম করতে হালকা নুন-জল দিয়ে গার্গল করতে পারেন।এই ঘরোয়া টোটকা সাধারণত সকলেই করে থাকেন। তাতে সাময়িক আরাম মেলে। গলা ব্যাথা,কানে যন্ত্রণা হলেও এই সহজ ও উপকারী প্রতিকার আমরা সকলেই করে থাকি। তবে এই পদ্ধতিতে শুধু কাশি বা গলা ব্যাথার জন্য নয়, টনসিলের স্টোন গলাতেও সাহায্য করে। মুখের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।
ফল-সবজি- স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবারের কোনও বিকল্প নেই। টনসিল স্টোন নিরাময়ের জন্য ফল ও সবজি হিসেবে গাজর, রসুন, পেঁয়াজ, আপেল অত্যন্ত কার্যকরী।

(ক) আপেলঃ- আপেলে রয়েছে অম্লীয় উপাদান, যা টনসিলের পাশের গর্ত বা পকেটে জমা ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম।

(খ) গাজরঃ- কাঁচা গাজ চিবিয়ে খেলে বেশি করে লালা উত্‍পাদন হয়। তাতে প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট হিসেবে কাজ করে ও টনসিল স্টোন দূর করতে সাহায্য করে।

Manual3 Ad Code

(ঘ) রসুনঃ- এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি-ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য। যা মুখের মধ্যে সংক্রমণ ও ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।

Manual7 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code