শিরোনাম
জৈন্তাপুরে ৪৩ শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জন, সবার ওপরে চিকনাগুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আলোচিত এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়: একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন, চারজন খালাস যে কাজ করলে আল্লাহর আরশ থর থর করে কেঁপে ওঠে! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী সুনামগঞ্জে সামাজিক নিরীক্ষার ফলাফল উপস্থাপন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাস্তবায়ন হয়নি হাইকোর্টের আদেশ। জগন্নাথপুর উপজেলায় কুশিয়ারা নদী থেকে চলছে বালু উত্তোলন পরীক্ষা শেষে আর বাড়ি ফেরা হলো না জকিগঞ্জের রাজনের; রেললাইনের পাশে মিলল লাশ, ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত! জকিগঞ্জে প্রবাসীর ওপর হামলা, মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ; শ্রমিক দলের নাম ব্যবহারের অভিযোগে উত্তেজনা সরকার বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ আবু নাহিয়ান তাসকিনের বৃত্তি অর্জন, ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ডাক্তার হওয়া ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল দ্রুত প্রকাশ ও শতভাগ নিয়োগের দাবি
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

সেই পুরাতন পদ্ধতির নির্বাচন, মেধা অচল রাজনৈতিক দল ও সরকারের, তাহলে কেন লাগল আঠারো মাস?

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ২১৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

Manual7 Ad Code

অথই নূরুল আমিন:

প্রিয় পাঠক, পাঠিকাদেরকে প্রথমেই জানাই শুভেচ্ছা। অতঃপর সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বারবার চিঠি দিয়ে বলেছিলাম, পুরাতন নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তনের জন্য তাগাদা ও পরামর্শ দিয়েছিলাম। অদক্ষ অযোগ্য নির্বাচন কমিশন বা কমিশারগণ বুঝতেই পারেনি আমার চিঠির ভাষা। আর এদিকে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনেক উপদেষ্টারা বয়সের ভারে ছিল নতজানু। তাই তারা আমার পরামর্শ নিয়ে বেশি দুর আগাতে পারেনি। কথায় আছে যাদের দাড়ায় না নুনু, তাদের বউয়েরা দেয় কিনু।

Manual7 Ad Code

এই যে সেই পুরাতন পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন হয়ে গেলো ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । সেই পুরাতন আমলের মত, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা দেখা দিলো চরমভাবে । অনেকের ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হলো। প্রতিবেশি হয়ে গেলো প্রতিবেশির শত্রু। তাই অনেকেই জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে রয়েছে বিষম ঝুঁকিতে।

Manual4 Ad Code

এদিকে জামায়াতসহ এগারো দলীয় জোট আজকে কয়েকদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে। নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে, মানে কারচুপি হয়েছে। অন‍্য দিকে সরকার গঠন করার পরেও, বিএনপি জোটের অনেক এমপি প্রার্থী তারাও বলছেন, তাদেরকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। এককথায় উল্লেখিত জাতীয় নির্বাচন জনমনে স্বস্তি দিতে পারেনি। ১৯৯১ সালের পরবর্তীকালে যতগুলো জাতীয় নির্বাচন হয়েছে। সবগুলো জাতীয় নির্বাচন ছিলো যেমন বিতর্কিত তেমনি সহিংসতামূলক।হয়েছে অসংখ্য প্রানহানীও।

এর মধ‍্যে বিএনপি সরকার বলতেছে, তারা খুব শিঘ্রই স্থানীয় নির্বাচন দিতে যাচ্ছে। একটি দল যখন ক্ষমতায় আছে। তখন জনগণ কিন্তু সরকার দলীয় প্রার্থীকেই ভোট দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে বেশি । জনগণ মনে করে সরকারের পক্ষে ভোট দিলে, সরকার পক্ষের প্রার্থী বিজয়ী হলে, এলাকার কাজ আনতে গিয়ে সেই প্রার্থীর জন‍্য সহজ হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাহলে দেখা গেলো, যেই লাউ সেই কদু। ভালো লোকগুলো আর জন প্রতিনিধি হতে পারল না।

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে আমি বারবার পত্র দিয়েছি। জাতীয় নির্বাচনের পদ্ধতি পরিবর্তন করার জন‍্য। আমার পদ্ধতি মতে নির্বাচন হলে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। এমন কথা কোনো দল বলতে পারত না কখনও । এবং দেশের রাজস্ব খাত থেকেও বেচে যেত তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা সমপরিমাণ অর্থ । এমনকি জনগণের ও বারবার ভোট দিতে কেন্দ্রে যেতে হতো না। আর থাকত কোনরকম বিতর্ক, থাকত মারামারি।

Manual6 Ad Code

প্রিয় পাঠক পাঠিকাদের জন‍্য, সেই পদ্ধতির আংশিক আজকে উপস্থাপন করছি। আমি বলেছিলাম, সবার আগে হোক স্থানীয় নির্বাচন, স্থানীয় নির্বাচন বলতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। সেখানে আমি বলেছিলাম, উল্লেখিত স্থানীয় নির্বাচন গুলো তিন মাসের মধ‍্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার করে নিতে এবং জনগণ শুধুমাত্র স্থানীয় নির্বাচনেই ভোট প্রধান করবেন। পাঁচ বছর পরপর একবার। এরকম পদ্ধতি হলে জনগণের সময় ও কম লাগবে, অন‍্য দিকে মারামারি রেষারেষি ও কমে আসবে বহুগুণে । সমাজে বিরাজ করবে সবসময় সুন্দর পরিবেশ।

তারপর নতুন পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করবে নির্বাচন কমিশন । এখানে উল্লেখ থাকে যে, সকল স্থানীয় নির্বাচনে বিজয়ী সকল জন প্রতিনিধিরা হবেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শুধুমাত্র এমপি প্রার্থীদের ভোটার। সেই ভোটারেরা ভোট প্রয়োগ করবেন, তাদের পছন্দের শুধুমাত্র এমপি প্রার্থীদেরকে। তখন লাখ লাখ ভোট কেন্দ্র ভোট কেন্দ্র দরকার হবে না। দশ লাখ বাহিনীরও কোন দরকার নেই। ভোট কেন্দ্র পাহারা দেবার জন‍্য। প্রতি জেলা সদরে অথবা জেলার ডাক বাংলা বা কোনো অডিটোরিয়াম বা কোনো একটা কলেজের মধ‍্যেই দুই ঘন্টায় জাতীয় নির্বাচন ভোট গ্রহণ করা সম্ভব হবে।

তারপর ঐ দিনেই তিনশ আসনে তিনশ জন এমপি হবেন বিজয়ী। আর এই তিনশজন বিজয়ী এমপি হবেন, “সংসদ ভোটার”। এক সপ্তাহ পর সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে, সরকার গঠন নির্বাচন, সেখানে থাকবে দলীয় প্রতীকের ব‍্যালট। তিনশজন “সংসদ ভোটার” ভোট ভোট প্রধান করবেন তাদের পছন্দের প্রতীকে। যে প্রতীকে ভোট বেশি পাবে। সেই প্রতীকের দল সরকার গঠন করবে। এরকম একটি পদ্ধতি মতে বা পরামর্শ মতে যদি বতর্মান নির্বাচন কমিশন সবগুলো নির্বাচন দিত। তাহলে বেচে যেত দেশের তিন থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। সমাজে বিরাজ করত চতুরমুখী শান্তি। সুযোগ থাকত না কোনো জালিয়াতির বা কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং বা কোনো কারচুপির। আমার সেই পরামর্শ মতে যখন নির্বাচন কমিশন তথা সাবেক উপদেষ্টাগণেরা নির্বাচন দেয়নি। তখনই বলতে হবে। সমগ্র জাতির ভাগ‍্য মন্দ। আসলে এই সমাজে সু শিক্ষিত নাগরিকের বড়ই অভাব, এই কথা স্বীকার করতেই হবে। আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলের নেতাদের মাঝে যেমন অসতের সংখ্যা বেশি, মুর্খতাও আছেই। তেমনি সরকারি কর্মকর্তাদের মাঝেও ৯৯% অসত। তাই চোরের কাছে তো জাতি গঠন বা উন্নয়নের কোন পরামর্শ থাকতে পারে না।

Manual6 Ad Code

অথই নূরুল আমিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক, কলাম লেখক ও রাষ্ট্রচিন্তক
মুখপাত্র জাতীয় মানব সম্পদ উইং।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code