শিরোনাম
কারিনা কায়সারের মৃত্যু: মানবতার আয়নায় এক নির্মম বাস্তবতা কবিতা: বিশ্ব মুসলিম নির্যাতন কবে হবে নিরসন শিশুকে জোর করে মোটা-তাজা করার নামে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে এক মাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে গৃহবধূ রিনা আক্তারের বালুচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা পিবিআই মাত্র ১৯ বছর বয়সে একজন কিশোরীর বই-খাতা আর স্বপ্ন নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে বয়সেই ভালোবাসার টানে গড়েছিলেন সংসার রাকিব-তামিমা-নাসির ইস্যু: ১০ জুনের রায়ের অপেক্ষায় সবাই অসুস্থ: ইসলামি চিন্তাবিদ হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী,দোয়া চাইলেন এম এ হোসেইন, ইউকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেলে দালাল ও চোর চক্র খাদিজার দৌরাত্ম্য বেপরোয়া বিলুপ্ত ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিই আজকের ডিপ স্টেট সোসাইটি। জনগণকে শোষণ করা হচ্ছে ইচ্ছে মতো শরীয়তপুরে স্বামী হত্যার পর মরদেহ টুকরো করার অভিযোগে স্ত্রী আটক
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

শিশুকে জোর করে মোটা-তাজা করার নামে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে এক মাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ২৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

Manual4 Ad Code

সিলেট নিউজ ডেস্ক :

Manual2 Ad Code

শিশুকে জোর করে মোটা-তাজা করার নামে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে এক মাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক ক্ষোভ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, শিশুটির বাবা লন্ডনে অবস্থান করেন। ছোট্ট সন্তানটি মায়ের সঙ্গেই দেশে থাকত। নিয়মিত ভিডিও কলে কথা বলার সময় বাবার নজরে আসে শিশুর শরীরে আঘাতের চিহ্ন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেন। পরে ক্যামেরার ফুটেজে উঠে আসে হৃদয়বিদারক নির্যাতনের দৃশ্য।
ফুটেজে দেখা যায়, শিশুটির দুই হাত স্যালাইনের ফিতা দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। বড় কাঠের খুন্তি দিয়ে জোর করে খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। খাওয়ানোর আগে ও পরে শিশুটিকে চড়-থাপ্পড় মারার দৃশ্যও দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে, শিশুটিকে প্রায়ই মারধর করা হতো এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে খাবার খাওয়ানো হতো।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা নিজের স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতে হাজির করা হলে অভিযুক্ত নারীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঘটনাটি সামনে আসার পর শিশু নির্যাতন ও অভিভাবকদের সচেতনতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুকে সুস্থ রাখার চেয়ে অনেক অভিভাবক বাহ্যিকভাবে মোটা-তাজা দেখানোর বিষয়ে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেন, যা কখনো কখনো শিশুর জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে রূপ নেয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, মায়ের কোল যেখানে একটি শিশুর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হওয়ার কথা, সেখানে এই শিশুটির জন্য সেটিই হয়ে উঠেছিল সবচেয়ে অনিরাপদ স্থান। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অনেকে।

Manual1 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code