শিরোনাম
অনলাইনে অশোভন আচরণের অভিযোগ: আইনের আশ্রয় ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা খাদি বাজার পেইজের এডমিনের অনিশ্চয়তায় পাঁচ সেতুর কাজ দুর্ভোগে ক্ষুব্ধ পোয়াতে হচ্চে জগন্নাথপুরবাসী দীর্ঘ বৈষম্যের অবসান: সহকারী অধ্যাপক (পিডিয়াট্রিক্স) পদে পদোন্নতি পেলেন মানবিক চিকিৎসক ডা. মো. আজিজুল ইসলাম সন্ধ্যা নদী রক্ষা ও অবৈধ মাটিকাটা বন্ধে প্রশাসনের বড় পদক্ষেপ: বানারীপাড়ায় ২০ লাখ টাকায় বেকু ও পল্টন নিলাম স্থানীয় সরকারের নেতৃত্ব ও শিক্ষাগত যোগ্যতার আইনি বিতর্ক বানারীপাড়ায় নতুন দাপ্তরিক কক্ষে সংসদ সদস্য সান্টু: নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা ও নদীভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিতরণ সুন্দর ব্যবহার ও আচরণের বিনিময়ে জান্নাত! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী ১১ নং ব্রাহ্মণডুরা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আদর হোসেন সামাজিক নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণ ও পুষ্টি সমন্বয় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিচার, সংস্কার ও দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে তাড়াইলে এনসিপির ‘জুলাই জাগরণ’ পদযাত্রা
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকায় অনিয়ম:

Coder Boss / ৬৭৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০

Manual2 Ad Code

হবিগঞ্জ ঃ
সংশোধিত তালিকা চেয়ে নোটিশ দিলেও নির্দেশনা মানেনি চেয়ারম্যান জজ মিয়া

সম্প্রতি করোনাভাইরাসের সংক্রমনে কর্মহীন মানুষের মাঝে সরকারের খাদ্য সামগ্রী বিতরন কার্যক্রমে সুবিধাভোগিদর তালিকা যাচাই-বাছাই করা হয়। এসময় এসব মৃত ব্যক্তির নামসহ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্রের জন্য ১০ টাকা কেজি দরে চালের কার্ডের সন্ধান মেলে। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ১১নং ব্রাহ্মণডুরা ইউনিয়নে অনিয়মের খবর জানাজানি হলে বিষ্ময়ে হতবাক হয়ে যান ওই সব বাসিন্দা ও মৃত ব্যক্তিদের স্বজনরা। এনিয়ে দুই ভূক্তভোগি এঘটনায় জড়িতদের বিচার ও শাস্তি দাবী করে গত ২৩ জুলাই জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ২৮ জুলাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করলে গোটা উপজেলায় হৈচৈ পড়ে যায়।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, ব্রাহ্মণডুরা ইউনিয়নের ডিলার ইউপি আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহবুব হোসেন চৌধুরী দিলু ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান হোসেইন মুহাম্মদ আদিল জজ মিয়া এবং ইউনিয়নের সদস্যদের যোগসাজশে মৃত ব্যক্তির নামে ১০ টাকা কেজি’ দরের চাল তুলে আত্মসাত করে আসছেন।

অভিযোগকারীরা নিজে কার্ড পাওয়া সত্বেও ৩ থেকে ৫বার চাল পাবার পর আর পাননি সুবিধাভোগির চাল, বঞ্চিত আছে দীর্ঘ ৩ বছর ধরে। এঘটনায় জড়িতরা শুধু মৃত ব্যক্তির নামে চাল তুলে থেমে থাকেননি। তালিকায় ভূয়া নাম ব্যবহার করে চাল উত্তোলন এবং তালিকায় নাম থাকা সত্বেও তাকে দীর্ঘ চার বছর ধরে চাল না দিয়ে তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে চাল প্রদান করা হয়েছে। ভুয়া নাম, ভুয়া এন আইডি ব্যবহার করে হতদরিদ্রদের চাল আত্মসাত করে ভাগভাটোয়ারা করে নিজেদের আঁখ গোচাতেই ব্যস্ত সময় পার করছেন ডিলার ও চেয়ারম্যান।
দীর্ঘ চার বছর ধরে চাল আত্মসাতের অভিযোগের তীর উঠে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান হোসেইন মুহাম্মদ আদিল জজ মিয়া ও ইউপি আওয়ামীলীগের সভাপতি ডিলার মাহবুব হোসেন চৌধুরী দিলু মিয়ার দিকে।

অভিযোগকারীদের তথ্যমতে তালিকা যাচাই বাছাইয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, ১১নং ব্রাহ্মণডুরা ইউনিয়নে ২০১৬ সালে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকা প্রণয়নের পর থেকেই বিগত চার বছর ধরে এমন অনিয়ম করে আসছেন ডিলার মাহবুব হোসন চৌধুরী দিলু। তালিকাটি প্রাথমিক বাছাই করে দেখা যায়, কারো নাম দুইবার, কারো এনআইডি দুই থেকে ৫বার দেয়া হয়েছে। আছে অনেক ভূয়া নাম, রয়েছে মৃত ব্যাক্তির নামও। আবার রয়েছে ভুয়া এনআইডি, আছে স্বজনপ্রীতি। তালিকায় নাম আছে জানেনা সুবিধাভোগী এমন ব্যাক্তিও কম নেই। প্রতিটি ওয়ার্ডেই এমন অনিয়ম হয়েছে। তালিকায় মনগড়া (১৯৬৩৩৬১৪৪৪৭০০০০০০) সিরিয়ালের একই এনআইডি দেয়া হয়েছে ১৬ বার, (১৯৯০৩৬১৪৪৪৭০০০২০০) চার বার, (১৯৯০৩৬১৪৪৪৭০০০১০০) চার বার। এক্ষেত্রে শুধু জন্ম তারিখ পরিবর্তন করে বাকি ১৩ ডিজিট নাম্বার ঠিক রাখা হয়েছে। তালিকার ক্রমিক নং ৫৯২ ও ৫৯৩ নামের পাশে দেয়া হয়েছে একই এনআইডি (৩৬১৪৪৪৭১৮৯৮৮০) নাম্বার। ক্রমিক নং ২৪৬ ও ২৭২ ফাতেমা বেগমের নাম দেয়া হয়েছে ২বার। তালিকার ৫৫৮ ও ৫৮৩ ক্রমিকেও দেয়া হয়েছে একই এনআইডি। তালিকাতে পাওয়া যায় বেশ কিছু মৃত ব্যাক্তির নাম (৩৮, ৪১, ৫৬, ৩৯৯, ৪২২, ৪২৭, ৪৯, ৫৩৫, ৫৫৬) ক্রমিকের ব্যাক্তিরা মৃত হলেও ২ থেকে তিন বছর ধরে তাদের নামেও উত্তোলন করা হচ্ছে চাল। মৃত ব্যাক্তিদের নামে চাল তুললেও জানেনা ঐ সকল পরিবারের লোকজন। তালিকার ২০, ২৯, ৩১, ৩৩, ৩৫, ৩৭, ৪০, ৪২, ৪৬, ৫৫, ৬৭, ১১৫, ১৪৭, ৫০২, ৫৬৩, ৫৬৮, ৫৭৩, ৫৭৪,, ৫৮০, ৪৮১, ৫৫৮, ৫৫৯, ৫৬৩, ৬৬৮, ৫৮০, ৫৮২ ক্রমিক নাম্বারের দু একবার চাল পেলেও আর কেউ পায়নি চালের সুবিধা। তাদের নাম কেটে দেয়া হয়েছে বলে আত্মসাত করা হচ্ছে শত শত কেজি চাল।

Manual2 Ad Code

এসব অনিয়মের শিকার হয়েছেন অলিপুর গ্রামের (১নং ওর্য়াড) এর মোঃ ঝাড়– মিয়া। তালিকায় দেখা যায়, ৫৫৯ ও ৫৮২ ক্রমিকে তার নাম দুইবার তাকলেও পাচ্ছেন না তিনি কোন সুবিধা। তবে কে পাচ্ছে তার নামে আসা চাল?

কথা হলে ঝাড়– মিয়া জানান, আমরা একবারই চাল পাচ্ছি না, আবার দুইবার। এই প্রথম শুনলাম আমার নামে দুইবার চাল তুলা হয়। তবে কে বা কারা এ চাল তুল আত্মসাত করে তা আমি জানিনা।

Manual2 Ad Code

এদিকে তালিকা অনুসন্ধান করে দেখা গেছে মাহফুজা বেগম (কার্ড নং ৪২৮) দুই বছর ধরে রয়েছেন বিদেশে। তার নামে বরাদ্দ চাল কে উত্তোলন করে কেউ জানে না। এসব ঘটনায় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ডিলার জড়িত বলে দাবী করছেন এলাকাবাসী।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন, জজ মিয়ার বিরুদ্ধে এলাকায় কেউ মুখ খুলকে সাহস পায় না। সে রাতের আধারে তার বাহিনী দিয়ে হামলা চালায়। মিথ্যে হামলা-মামলা-ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়।

Manual5 Ad Code

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে ব্রাহ্মণডুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হোসেইন মুহাম্মাদ আদিল জজ মিয়া বলেন, তালিকা তৈরীর সময় আমি দায়িত্বে ছিলাম না। অনিয়মের বিষয় আমি কিছুই জানি না। এটা ডিলারের দায়িত্ব। তবে যেহেতু অভিযোগ দেয়া হয়েছে, তদন্তে প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে তা আমি মাথা পেতে নেব।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সভাপতি ও ডিলার মাহবুব হোসেন দিলু জানান, আমার জানামতে কোন অনিয়ম হয়নি। তবে এব্যাপারে আমি আপনার সাথে পরে কথা বলব বলে ফোন কেটে দেন।

অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান জানান, বিষয়টি আমার নলেজে নেই, অভিযোগটি দেখে বিস্তারিত জানাব।

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ফোনে কথা বলার জন্য বার বার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Manual3 Ad Code

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা ১১নং ব্রহ্মণডুরা ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের সংশোধিত তালিকা চেয়ে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হোসেইন মুহাম্মদ আদিল জজ মিয়াকে চিঠি দিলেও মানা হয়নি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রকের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুছ সালাম জানান, আমরা সব সময় সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে হালনাগাদ করার জন্য চিঠি দিয়ে থাকি। সর্বশেষ গত ৫ এপ্রিলের মধ্যে হালনাগাদ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code