শিরোনাম
​বানারীপাড়ায় মাদ্রাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও জাল সার্টিফিকেটসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ জননিরাপত্তা ও আতঙ্কের ছায়া: মাদকের বিস্তার ও প্রতিকার মৌলভীবাজারে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও ‘ট্রি প্লান্টেশন কর্নার’ উদ্বোধন ফুলসাইন্দ আঞ্চলিক শাখা তালামীযের উদ্যোগে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ছকাপন কলেজ তালামীযের উদ্যোগে পক্ষকালব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ পালন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় রানীগঞ্জে রোলার ওয়াটার সাপ্লাই বন্ধ, বিশুদ্ধ পানির সংকটে চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী জকিগঞ্জে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় যারা: রয়েছে হেভিওয়েট নতুন মুখ! অপরিকল্পিত দেশে বন‍‍্যাও সরকারের অনুদান, ঢাকাসহ দেশের ৬০%এলাকায় বন‍্যা কবলিত ক্ষতিগ্রস্ত জৈন্তাপুরে ৪৩ শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জন, সবার ওপরে চিকনাগুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

​বানারীপাড়ায় মাদ্রাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও জাল সার্টিফিকেটসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ৫৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

Manual4 Ad Code

জাকির হোসেন, বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি:

Manual5 Ad Code

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার আহমদাবাদ হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জনাব মো: আ: হালিম-এর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, সার্টিফিকেট জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও গাছ বিক্রিসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গত ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখে মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি বরাবর এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন গভর্নিং বডির অন্যতম অভিভাবক সদস্য মো: আ: রহিম ফরাজী।
​লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত অধ্যক্ষ জনাব মো: আ: হালিম দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছিলেন। বেসরকারি শিক্ষকের জন্য সর্বোচ্চ ১০ দিনের সি.এল (নৈমিত্তিক) ছুটির বিধান থাকলেও তিনি নিয়ম ভেঙে গত ১৯/১০/২০২৫ থেকে ০৩/১১/২০২৫ পর্যন্ত মোট ১৬ দিন ছুটি ভোগ করেন। এই বিষয়ে পরিচালনা পর্ষদ ও শিক্ষকরা ব্যাখ্যা চাইলে তিনি একে তার “ব্যক্তিগত ব্যাপার” বলে উড়িয়ে দেন। এছাড়াও দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও কোনো মেডিকেল ছুটি না নিয়ে ক্ষমতার জোরে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।  অধ্যক্ষের দাখিলকৃত দাখিল, আলিম ও ফাজিল সার্টিফিকেটগুলোর একাধিক জায়গায় ঘষামাজা ও কাটাকাটি করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, তিনি মূলত জাল সনদে চাকরি করছেন। মাদ্রাসার একাধিক তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে যা অডিট রিপোর্টেও প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু ক্ষমতার দাপটে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পরিচয় ব্যবহার করে তিনি তা ধামাচাপা দিয়ে রেখেছেন। সম্প্রতি তার দুর্নীতির নথিপত্র ফাঁস হওয়ার ভয়ে মাদ্রাসার নিরাপত্তা কর্মী মো: মিজানুর রহমানকে ভয়ভীতি দেখিয়ে খালের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।  নিয়ম বহির্ভূতভাবে মাদ্রাসার গাছ ও পুরাতন আসবাবপত্র বিক্রি করে দেওয়ার পাশাপাশি মাদ্রাসার রেজুলেশন খাতা চুরির “নাটক” সাজানোর অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা অধ্যক্ষের নিজের বাড়ি থেকেই সেই খাতা উদ্ধার করে। অতীতে এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির দায়ে তিনি চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছিলেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
​অভিভাবক ও স্থানীয়দের দাবি, অধ্যক্ষের এমন স্বেচ্ছাচারী আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে অভিভাবকেরা এখন তাদের সন্তানদের এই মাদ্রাসায় ভর্তি করাতে চাচ্ছেন না। আবেদনকারী মো: আ: রহিম ফরাজী মাদ্রাসার শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে অভিযুক্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Manual4 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code