আজ ১২ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ৪:২০

বার : বৃহস্পতিবার

ঋতু : হেমন্তকাল

সিলেট মহানগর যুবলীগে বড় পদ পেতে চায় জালিয়াত সাকির!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশের স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সফল প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনার যুবলীগ, মানবিক যুবলীগ, শেখ মনির যুবলীগ, তাপস-নিখিলের যুবলীগ, সিলেট মহানগরের যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তির নাম ভাঙ্গিয়ে আশ্রয়-পশ্রয়ে সিলেটের চাঁদাবাজ, সরকারি-বেসরকারি স্কুল কলেজের ও রাষ্ট্রিয় বিভিন্ন নথি জালিয়াতকারী সাকারিয়া হোসেন সাকির সিলেট মহানগর যুবলীগের পূর্ণাং কমিটিতে স্থান পেতে লবিং চালিয়ে যাচ্ছে। সাকিরকে ২৯ জানুয়ারী ২০১১ সাল রোববার এক অভিযান চালিয়ে র্যা ব-৯ আটক করে। সাকিরের মূল পেশা জাল-জালিয়াতি করা ও সে এখন পর্যন্ত এই পেশা চালিয়ে যাচ্ছে ঢাল হিসেবে সিলেট মহানগর যুবলীগকে ব্যবহার করে আইনের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে।
১লা ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে সিলেট থেকে প্রকাশিত দৈনিক সিলেটের ডাক, দৈনিক জালালাবাদ, দৈনিক কাজিরবাজার, দৈনিক শ্যামল সিলেট, দৈনিক সবুজ সিলেট, দৈনিক যুগভেরী, দৈনিক উত্তরপূর্ব, দৈনিক বার্তাবাহক, দৈনিক সিলেট বাণী, সহ সকল জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে বর্তমান মহানগর যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা সাকারিয়া হোসেন সাকিরের এই সংবাদটি ছাপা হয়। নিম্নে এই সংবাদটি তুলে ধরা হলো।
জাল সার্টিফিকেট তৈরীর দায়ে আম্বরখানা থেকে সাকির গ্রেফতার
সিলেট নগরীর আম্বরখানা থেকে জাল সার্টিফিকেট তৈরীর অপরাধে সাকারিয়া হোসেন সাকির (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করছে র্যাহপিড একশন ব্যাটালিয়ান (র্যা ব-৯)। সে কতোয়ালি থানার খাসদবীর বন্ধন ডি/ ১৮ এর বাসিন্দা তোজাম্মেল আলীর পুত্র। গত ২৯ জানুয়ারী ২০১১ সাল রোববার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭ টার দিকে এ অভিযান চালায় র্যাবব-৯।
র‍্যাব-৯ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের একটি টিম গত রোববার (২৯ জানুয়ারী ২০১১) সন্ধার পর নগরীর আম্বরখানাস্থ সেন্ট্রাল প্লাজা মার্কেটে তুহিন কম্পিউটার নামক দোকানে অভিযান চালিয়ে জাল সার্টিফিকেট তৈরীর অপরাধে সাকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় ৫টি জাল সার্টিফিকেট, ২টি মার্কশিট, ১টি কম্পিউটার, আনুসাঙ্গিক যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামী সাকিরকে আলামত সহ কতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
যুবলীগের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের সূত্রে জানা যায়, সাকারিয়া হোসেন সাকির প্রথম থেকে জালিয়াতিকে পেশা হিসেবে চালিয়ে যাচ্ছে। র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তিকে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে ম্যানেজ করে বাট-বাটোয়ারা দিয়ে আইনের হাত থেকে রক্ষা পেতে নিজের অপকর্মকে আড়াল করতে মহানগর যুবলীগের মিছিল মিটিংয়ে সামনের সারিতে উপস্থিত থাকে। আমাদের বিশ্বাস বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সংগ্রামী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখবেন।
এ বিষয়ে সাকারিয়া হোসেন সাকিরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি এখন নেতা-কর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠক করছি। আমি পরে কথা বলবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category