বিশেষ প্রতিনিধি:
দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা,সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন,অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদকবিরোধী অভিযানে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯,সিলেট বিভাগ তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করছে।
র্যাব সূত্র জানায়,গত ৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে অদ্যাবধি সিলেট বিভাগ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে র্যাব-৯ মোট ৪২টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র,১০৪ রাউন্ড গুলি, ৬টি ম্যাগাজিন,১৬ হাজার ৫৭০ গ্রাম বিস্ফোরক, ১১৯টি ডেটোনেটর,১টি সাউন্ড গ্রেনেড,৫টি পেট্রোল বোমা,১১টি ককটেল,বিপুল পরিমাণ এয়ারগানের গুলি এবং ১১৮টি এয়ারগান উদ্ধার করেছে। এসব অভিযানের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এসেছে বলে দাবি বাহিনীটির।
এরই অংশ হিসেবে ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯,সিপিসি-২, মৌলভীবাজারের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে-শ্রীমঙ্গল থানার সদর ইউনিয়নের বিষামনি এলাকার মহাজেরাবাদগামী সড়কের পাশের একটি লেবু বাগানে এয়ারগান মজুত থাকতে পারে। পরে রাত প্রায় ৯টা ৫ মিনিটে সেখানে অভিযান চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪টি এয়ারগান উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে,৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটে রাজনগর থানার মুনছুরনগর ইউনিয়নের কাটাজুড়ি গ্রামে মৌলভীবাজার-কুলাউড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশের একটি কলা বাগানে অভিযান চালিয়ে আরও ২টি এয়ারগান উদ্ধার করা হয়। সেগুলোও পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
উদ্ধারকৃত এয়ারগানগুলোর সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধার হওয়া এয়ারগানগুলো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) মূলে মৌলভীবাজার জেলার সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব-৯,সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ। তিনি জানান, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সিলেট নিউজ/এসডি.