শিরোনাম
শাল্লা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ। ‘ভারত বাংলাদেশের কল্যাণ চায় না’-অধ্যক্ষ ইউনুস আহমেদ। সুবর্ণচরে ব্যবসায়ীর চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার সিলেটে বৃষ্টি,আবারও বন্যার পানি বাড়তে শুরু করেছে সুবর্ণচরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ওসির মতবিনিময় সাতক্ষীরার আশাশুনি বিভিন্ন সড়কে পুলিশের অভিযান চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের আশ্রয় কেন্দ্রেগুলিতে বিএনপির পক্ষ থেকে খাবার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে একজনের মৃত্যু হিলফুল ফুজুল তরুণ সংঘের সম্মানিত উপদেষ্টা যুক্তরাজ্যর প্রবাসী সামছুল আলম খান শাহীন মহোদয়কে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় সাতক্ষীরা আশাশুনিতে মাদকের অপব্যবহার ও পাচার বিরোধী দিবস পালিত
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

এই জগতে কত বিচিত্র কাহিনি গঠে,প্রতিদান হয় ভিন্ন ভিন্ন।

Coder Boss / ১২১৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২০

একটা মেয়ে অন্ধত্বের কারনে পৃথিবীর
সব সুন্দর্য দেখা থেকে বঞ্চিত ছিল। সব সময় সে
মুখ ভার করে থাকত। কিন্তু এত কষ্টের মাঝে ও
কিছুটা সময়ের জন্য সে সুখী থাকত। কারন সে একটা ছেলের সাথে ফোনে কথা বলতো। ছেলেটি সবসময় মেয়েটিকে হাসিখুশিতে রাখার চেষ্টা করত এবং তার জীবনের অানন্দের মুহুর্তগুলো শেয়ার করত। কিন্তুু ছেলেটি জানত না যে মেয়েটি অন্ধ। একদিন ছেলেটার
ইচ্ছা হল মেয়েটিকে দেখার এবং সে দেখতে চাইল।কিন্তু মেয়েটি তার সাথে দেখা করতে চাইল না।নিজের অন্ধত্বের কারনে ছেলেটিকে হারাবে জেনেও অনেক অনুরোধের পর মেয়েটি ছেলেটির সাথে দেখা করল। মেয়েটাকে দেখার পর ছেলেটি খুব মন খারাপ করল। কিন্তুু এ খারাপ লাগার পর থেকে সে মেয়েটিকে আবারও বেশি ভালোবাসতে শুরু করল।  এরই   মধ্যে ঐ    মেয়েটির পরিবার একজন ডোনার পেলো। তারপর মেয়েটির চোখের অপারেশন হল। আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠল সে যখন অায়নার সামনে গেল তখন সে দেখল, সে এতটাই সুন্দর যে, পৃথিবীর সকল সুন্দর্যকে সে হার মানাতে পারে। সে পৃথিবীর সকল সুন্দর্যকে দেখতে শুরু করল। এরই মধ্যে তার ঐ ছেলেটির সাথে অাবার ফোনে কথা হল এবং সে  ছেলেটিকে দেখতে চাইল। কিন্তুু ছেলেটি মেয়েটির সাথে
অার দেখা করতে চাইল না। কারন ছেলেটি ও তার অতীতের মত অন্ধ। মেয়েটির অনেক কান্নাকাটির পর ছেলেটি অবশেষে তার সাথে দেখা করতে চাইল। দেখা হওয়ার পর মেয়েটি ছেলেটিকে দেখে অবাক হয়ে গেল এবং খুব ভেঙ্গে পরল। মেয়েটি মন খারাপ করে চলে গেল এবং খুব কান্নাকাটি করল, কিন্তুু সে ছেলটিকে অার ফোন দিল না। এতে ছেলেটির মন খুব খারাপ হল এবং সে খুব কষ্ট পেল।                                        পরদিন সকালে ছেলেটির মোবাইল থেকে মেয়েটির মোবাইলে একটি মেসেজ এল ” অামি অাজ তোমার থেকে অনেক দুরে চলে যাচ্ছি,তবে তোমার কাছে অামার একটাই অনুরোধ,   অামার চোখ দুটি দিয়ে তুমি কখনো
কেঁদোনা “।।।।।।।।কারো প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে
তার প্রতি ব্যবহার টাও পরিবর্তন
হয়ে যায়।।।এটাই প্রকৃতির নিয়ম।।
MG.


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

বিভাগের খবর দেখুন