আজ ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ২:৫১

বার : সোমবার

ঋতু : শরৎকাল

ব্রিজ নয় যেন মরণ ফাঁদ

সোহেল আহমদ সাজু – জেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জঃ

সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের খালের ওপড় ব্রিজ আছে কিন্তু দুপাশে কোনো সড়ক নেই। সড়কবিহীন ব্রিজটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ব্রিজ নয় যে মরণ ফাঁদ। ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারীরা রয়েছে ভোগান্তিতে।

বুধবার সকালে সরেজমিন জানা গেছে, উপজেলার জামালপুর গ্রামের খালের ওপড় ব্রিজ আছে কিন্তু দুপাশে কোনো সড়ক নেই। তাহিরপুর টু সুনামগঞ্জের মেইন রাস্তা থেকে ১০০মিটার পশ্চিম -দক্ষিণ দিকে খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ হয়। ব্রিজটির মূল অংশের কাজ শেষ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো সঠিক পরিকল্পনা না থাকায় ব্রিজটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

ব্রিজের এই রাস্তা দিয়ে বড়খলা, শাহপুর, আমড়িয়া, বালিজুড়ি, জামালপুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ চলাচল করে প্রতিনিয়ত। বর্ষার সময় এখানকার মানুষের একমাত্র উপায় নৌকা। বছরের পর বছর এই গ্রামের মানুষকে অপেক্ষা করতে হয়েছে এই একটি ব্রিজের জন্য।

প্রায় পাঁচ বছর আগে দীর্ঘদিনের এই আশা পূরণের জন্য এই স্থানে একটি ফুটপাত ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু ব্রিজের মূল অংশের কাজ শেষ হওয়ার পর বন্যার করণে দুই পাশের সংযোগ গাইড অংশের মাটি সরে গেছে।

এই সংযোগ অংশের মাটি সরে যাওয়ার কারণে কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই ফুটপাত ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছেন না। এতে প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষের।

এদিকে কৃষক তাদের উৎপাদিত পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে অনেক পথপাড়ি দিয়ে বাজারে নিয়ে যেতে পারছেন অথচ এই ব্রিজটি ব্যবহারের উপযোগী হলে ইউনিয়নের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হতো।

এইব্যাপারে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ জামাল হোসেন ও চা ব্যাবসায়ি নুরুল হক জানান, আমরা এই কয়েকটি গ্রামের মানুষ খুবই অবহেলিত। আমাদের গ্রামে নেই উন্নত মানের যোগাযোগ ব্যবস্থা। কিন্তু প্রায় পাঁচ বছর পার হলেও ব্রিজটির মূল অংশের দুই পাশের সংযোগ গাইডলাইনের পাশে মাটি না থাকায় আমরা এই ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছি না। এতে আমাদের যে চরম দুর্ভোগের মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাদি উর রহিম জাদিদ জানান, আমি নতুন যোগদান করেছি, বিষয়টি সমাধানের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ মাহবুব আলম জানান, এই বিষয়ে আমার জানা নাই আমি খুঁজ নিয়ে দেখবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category