শিরোনাম
কারিনা কায়সারের মৃত্যু: মানবতার আয়নায় এক নির্মম বাস্তবতা কবিতা: বিশ্ব মুসলিম নির্যাতন কবে হবে নিরসন শিশুকে জোর করে মোটা-তাজা করার নামে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে এক মাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে গৃহবধূ রিনা আক্তারের বালুচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা পিবিআই মাত্র ১৯ বছর বয়সে একজন কিশোরীর বই-খাতা আর স্বপ্ন নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে বয়সেই ভালোবাসার টানে গড়েছিলেন সংসার রাকিব-তামিমা-নাসির ইস্যু: ১০ জুনের রায়ের অপেক্ষায় সবাই অসুস্থ: ইসলামি চিন্তাবিদ হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী,দোয়া চাইলেন এম এ হোসেইন, ইউকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেলে দালাল ও চোর চক্র খাদিজার দৌরাত্ম্য বেপরোয়া বিলুপ্ত ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিই আজকের ডিপ স্টেট সোসাইটি। জনগণকে শোষণ করা হচ্ছে ইচ্ছে মতো শরীয়তপুরে স্বামী হত্যার পর মরদেহ টুকরো করার অভিযোগে স্ত্রী আটক
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

নাসিরনগরে রহমত আলী খুনের মামলার জট খোলতে শুরু করেছে

Coder Boss / ৩১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

Manual8 Ad Code

 

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ

Manual2 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

অবশেষে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের বুড়িশ্বর গ্রামের মৃত ফালান ফকিরের ছেলে রহমত আলী হত্যা মামলার জট খোলতে শুরু করেছে।ব ্রাক্ষণবাড়িয়ার সুদক্ষ ও চৌকস পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক শোভন কুমার সাহা খুনের মুটিভ উদ্ধার করতে কাজ শুরু করেছেন। বুধবার সকালে মামলার অন্যতম আসামী আলমগীর চৌধুরীর ছোট ভাই মোঃ আমরুল কায়েস চৌধুরীকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করে নিযে আসে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক শোভন কুমার সাহা। জানা গেছে এ পর্যন্ত উক্ত মামলার তিন আসামীকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠাতে সক্ষম হয়েছে জেলা গোয়েন্দা ডিবি। জেলহাজতে থাকা অন্য আসামীরা হলেন গ্রামের মৃত শাহজাহান চৌধুরীর ছেলে রকিব চৌধুরী ও রেনু মিযার ছেলে রোমান মিয়া। জানা গেছে গত ২০ মে ২০২১ তারিখ দিবাগত রাত অনুমান ১১ ঘটিকার সময় বুড়িশ্বর চানপাড়া গ্রামের মৃত নুরুর ইসলাম চৌধুরীর ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আলমগীর চৌধুরী ও তার লোকজনে মিলে প্যাচাবাড়ির ফালান ফকিরের ছেলে মোঃ রহমত আলীকে নির্মমভাবে খুন করে। পরদিন খুনের মামলা থেকে নিজে বাচতে চতুর আলমগীর নিজে ৮ নং সাক্ষী সেজে ২২ জনকে আসামী করে নাসিরনগর থানার মামলা নং২৩, জি,আর মামলা নং ৯৭ দায়ের করে। পরবতীর্তে আলমগীর চৌধুরী খুনের সাথে জড়িত বলে বাদীর সন্দেহ হলে থানা পুলিশকে খবর দেয়। কিন্তু নাসিরনগর থানা পুলিশের এস,আই জুলুস আহমেদ খান পাঠান কোন অবস্থাতেই আলমগীরকে গ্রেপ্তার করতে রাজি হয়নি। পরবতীর্তে পুলিশের উপস্থিতিতে বাদীর লোকজন আলগীরকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করলে, পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি কালে আলমগীর চৌধুরী কিছুটা আহত হয়। পরবতীর্তে পুলিশ প্রহরায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা থেকে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় আলমগীর। এখনো আলমগীর পলাতক রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক শোভন কুমার সাহা জানান, আলমগীরকে ধরতে ডিবি পুলিশ সব সময় তৎপর রয়েছে। তিনি বলেন, খুব শীর্ঘ্রই এই হত্যা মামলার রহস্য উনে্¥চন হবে।

Manual4 Ad Code

মোঃ আব্দুল হান্নান
নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
মোবাঃ ০১৭১৭৩৫০৮৭৬।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code