গোবিন্দ দেব জগন্নাথপুর ( সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বিদ্যুৎ চলে গেলেই মানুষের প্রথম অভিযোগ “আবার লোডশেডিং”। কিন্তু বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের মতে, জগন্নাথপুরের দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকটের মূল কারণ কেবল লোডশেডিং নয়। এর নেপথ্যে রয়েছে জাতীয় গ্রিড অবকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি। নিকটবর্তী ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন না থাকায় উপজেলার হাজারো গ্রাহককে আজও প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দূরের গ্রিড থেকে দীর্ঘ ৩৩ কেভি লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ গ্রহণ করতে হচ্ছে। ফলে জাতীয় পর্যায়ের লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি এই দীর্ঘ লাইনে যেকোনো কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলেই জগন্নাথপুরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে দীর্ঘ সময় লেগে যায় এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বহুগুণ বেড়ে যায়।
বর্তমানে জগন্নাথপুর উপজেলায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)-এর প্রায় ২৫ হাজার গ্রাহকের জন্য সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১২ মেগাওয়াট। পাশাপাশি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আরও প্রায় ২৮ হাজার গ্রাহকের জন্য প্রায় ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। অর্থাৎ জগন্নাথপুর অঞ্চলের প্রায় ৫৩ হাজার গ্রাহক বর্তমানে দুটি পৃথক বিতরণ সংস্থার মাধ্যমে বিদ্যুৎ সেবা পেলেও উভয় সংস্থাই দীর্ঘ দূরত্বের ৩৩ কেভি ফিডারের ওপর নির্ভরশীল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পিডিবি জগন্নাথপুরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে সিলেট দক্ষিণ (দক্ষিণ সুরমা) ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ৩৩ কেভি লাইনের মাধ্যমে। অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সুনামগঞ্জ ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন থেকে প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ৩৩ কেভি লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। অথচ এত বড় গ্রাহকগোষ্ঠী ও ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা থাকা সত্ত্বেও জগন্নাথপুরে এখনো কোনো ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টদের মতে, জগন্নাথপুরের বিদ্যুৎ সংকট কোনো একক বিতরণ সংস্থার সমস্যা নয়; বরং এটি একটি অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা। পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎ উভয় সংস্থাকেই দূরবর্তী গ্রিড থেকে দীর্ঘ ৩৩ কেভি লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হচ্ছে। ফলে বিদ্যুতের উৎস যত দূরে থাকে, লাইনের ওপর নির্ভরতা, ঝুঁকি এবং জটিলতাও তত বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে ঝড়, বজ্রপাত, গাছের ডাল পড়া বা যেকোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে দীর্ঘ লাইনের কোনো অংশে সমস্যা দেখা দিলে বিদ্যুৎ পুনঃসরবরাহে অতিরিক্ত সময় লাগে এবং তার প্রভাব সরাসরি জগন্নাথপুরের হাজারো গ্রাহকের ওপর পড়ে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি সরবরাহ ও সিস্টেম পরিচালনার বাস্তবতায় সময়ে সময়ে লোডশেডিং একটি জাতীয় বিষয়। সরকার এবং বিদ্যুৎ বিভাগ এই পরিস্থিতিকে সহনীয় রাখতে উৎপাদন বৃদ্ধি, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং সিস্টেম উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। তাই জাতীয় পর্যায়ের লোডশেডিংয়ের বাস্তবতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
তবে একই লোডশেডিং দেশের সব এলাকায় সমান প্রভাব ফেলে না। যেসব বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তর দীর্ঘ দূরত্বের ৩৩ কেভি ফিডার এবং একটি মাত্র উৎসের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে পরিস্থিতি তুলনামূলক বেশি জটিল হয়ে ওঠে। কারণ নির্ধারিত লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি যদি দীর্ঘ লাইনের কোথাও কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দেয়, তাহলে বিদ্যুৎ পুনঃসরবরাহে অতিরিক্ত সময় লাগে। ফলে গ্রাহকদের কাছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় আরও দীর্ঘ মনে হয় এবং ভোগান্তিও বেড়ে যায়।
জগন্নাথপুর হাওরাঞ্চল হওয়ায় বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। বিস্তীর্ণ এলাকা পানিবেষ্টিত থাকায় দীর্ঘ লাইনের কোথায় ত্রুটি হয়েছে তা শনাক্ত করতে সময় লাগে। অনেক ক্ষেত্রে নৌপথ ব্যবহার করে মেরামতকারী দলকে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে হয়। অন্যদিকে এই অঞ্চলে বজ্রপাতের হার তুলনামূলক বেশি হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে ৩৩ কেভি লাইনে ত্রুটির ঝুঁকিও বেড়ে যায়। ফলে একটি ছোট প্রযুক্তিগত সমস্যাও দীর্ঘ সময়ের বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রূপ নিতে পারে।
শুধু তাই নয়, দীর্ঘ ৩৩ কেভি লাইনের আরেকটি বড় সমস্যা হলো ভোল্টেজ ড্রপ। গ্রীষ্মকালে যখন বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়, তখন লাইনের দৈর্ঘ্যের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে কাঙ্ক্ষিত মানের ভোল্টেজ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এর প্রভাব পড়ে গৃহস্থালি ব্যবহার, সেচ, ক্ষুদ্র শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ওপর।
বর্তমানে বিদ্যুতের ব্যবহার আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। আধুনিক প্রযুক্তি, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং ডিজিটাল অর্থনীতির বিস্তারের কারণে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ এখন মৌলিক অবকাঠামোগত চাহিদায় পরিণত হয়েছে। নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের পরও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট কিংবা লো-ভোল্টেজের শিকার হলে গ্রাহকদের অসন্তোষও স্বাভাবিক। তবে বিদ্যুৎ প্রকৌশলীদের মতে, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর না হলে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
জাতীয় গ্রিড নেটওয়ার্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ শূন্যতা
বিদ্যুৎ সঞ্চালন নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বর্তমানে সিলেট অঞ্চলে মোট ৯টি ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন রয়েছে। সিলেট (কুমারগাঁও) ও সুনামগঞ্জ ছাড়া ছাতক, ফেঞ্চুগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, কুলাউড়া ও শ্রীমঙ্গলের মতো উপজেলা পর্যায়েও গ্রিড সাবস্টেশন স্থাপিত হয়েছে। কিন্তুু জগন্নাথপুর প্রবাসী অধ্যুষিত এবং দ্রুত বর্ধনশীল জগন্নাথপুর এখনো সেই সুবিধার বাইরে রয়ে গেছে।আরও লক্ষণীয় বিষয় হলো, বিবিয়ানা থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট, ছাতক ও সুনামগঞ্জ পর্যন্ত ১৩২ কেভি জাতীয় সঞ্চালন নেটওয়ার্ক থাকলেও জগন্নাথপুর ও এর আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় কোনো ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন নেই। ফলে জাতীয় গ্রিড নেটওয়ার্কে এ অংশটি একটি অবকাঠামোগত শূন্যতা (Infrastructure Gap) হিসেবে রয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্টরা।
প্রকৌশলীদের মতে, জগন্নাথপুরে একটি ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন নির্মাণ করা গেলে এর ১৩২ কেভি সংযোগ বিদ্যমান ছাতক-সুনামগঞ্জ ১৩২ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন অথবা নির্মাণাধীন বিবিয়ানা ২৩০/১৩২ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন চালু হওয়ার পর সেখানকার ১৩২ কেভি নেটওয়ার্ক থেকে গ্রহণ করা সম্ভব হতে পারে। এতে জগন্নাথপুরে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি ভবিষ্যতে সিলেট-সুনামগঞ্জ অঞ্চলের ১৩২ কেভি নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য ও কার্যকরভাবে পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে একটি বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহ কাঠামো (Alternative Supply Path) গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে। কোনো একটি উৎসে সাময়িক সমস্যা দেখা দিলেও অন্য দিক থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা বাড়বে, যা পুরো অঞ্চলের সিস্টেম রিলায়েবিলিটি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
শুধু জগন্নাথপুর নয়, উপকৃত হবে পুরো অঞ্চল
একটি ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন নির্মিত হলে শুধু জগন্নাথপুরের নয়, শান্তিগঞ্জ, নবীগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘ ৩৩ কেভি লাইনের ওপর নির্ভরতা কমে আসবে, গ্রাহক পর্যায়ে ভোল্টেজের মান উন্নত হবে, লাইনে ত্রুটি শনাক্ত ও মেরামতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং ঝড়-বৃষ্টি বা বজ্রপাতজনিত কারণে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার প্রবণতাও হ্রাস পাবে।
এছাড়া প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুরে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হলে কৃষি, সেচ, ক্ষুদ্র শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবাখাত আরও বিকশিত হবে। নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংসদ সদস্যের উদ্যোগে বাড়ছে আশাবাদ
জগন্নাথপুরে ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা নতুন নয় তবে স্থানীয়দের মতে, অতীতে বিষয়টি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রত্যাশিত গুরুত্ব পায়নি। বর্তমানে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কয়ছর আহমেদ বিষয়টিকে আন্তরিকতার সঙ্গে গুরুত্ব দিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট বাস্তবায়নকারী সংস্থার কাছে এর যৌক্তিকতা তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত এই সীমাবদ্ধতা দূরীকরণে কার্যকর অগ্রগতি হবে। তিনি সংসদ অধিবেশনেও জগন্নাথপুরে ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন স্থাপনের জন্য কথা বলবেন।
বিদ্যুৎ বিভাগের বক্তব্য
জগন্নাথপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আবাসিক প্রকৌশলী মো. আজিজুল ইসলাম আজাদ বলেন, “জগন্নাথপুরের বিদ্যুৎ সমস্যাকে শুধু লোডশেডিং দিয়ে ব্যাখ্যা করলে প্রকৃত চিত্রটি উঠে আসে না। জাতীয় পর্যায়ের লোডশেডিং একটি বাস্তবতা, তবে আমাদের এলাকার প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো দীর্ঘ ৩৩ কেভি ফিডারের ওপর নির্ভরশীলতা এবং নিকটবর্তী ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশনের অনুপস্থিতি। জগন্নাথপুরে একটি ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন নির্মাণ হলে এটি শুধু একটি উপজেলার বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করবে না; বরং পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে। বর্তমানে বিবিয়ানা, সিলেট, ছাতক ও সুনামগঞ্জকে ঘিরে যে ১৩২ কেভি সঞ্চালন নেটওয়ার্ক রয়েছে, তার মাঝখানে জগন্নাথপুর একটি অবকাঠামোগত শূন্যতা হিসেবে রয়ে গেছে। এখানে একটি গ্রিড সাবস্টেশন স্থাপিত হলে সেই শূন্যতা অনেকটাই পূরণ হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে একাধিক উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ তৈরি হওয়ায় পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আরও নির্ভরযোগ্য, স্থিতিশীল ও ঝুঁকিমুক্ত হবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা ব্যবসায়ী সুবেশ দেবনাথ বলেন আমাদের সুনামগঞ্জ ৩ আসনের সাংসদ সদস্য কয়ছর আহমেদ এমপি মহোদয় যদি সংসদ অধিবেশনে তুলে ধরেন, গ্রীড সা স্টেশন স্থাপন হবে, উনি এটা করতে পারবেন আশাবাদী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নেতা বলেন আমরা অনেক এমপি মন্ত্রী দেখেছি, গ্রীড সাব স্টেশ বাংলাদেশের সব জায়গায় সাব স্টেশন নির্মাণ হয়েছে বিদ্যুৎ লাইন ম্যপে সুনামগঞ্জে বা জগন্নাথপুর নেই, আমাদের জগন্নাথপুর বাসীর দাবী সুনামগঞ্জ ৩ আসনের সাংসদ সদস্য কয়ছর আহমেদ এমপি মহোদয় কাছে।
জগন্নাথপুরের মানুষের প্রত্যাশা অতিরিক্ত কোনো সুবিধা নয় বরং একটি নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। বিদ্যুৎ খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়ের সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা যেমন বেড়েছে, তেমনি এখন অবকাঠামো উন্নয়নেরও সময় এসেছে। একটি ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন শুধু জগন্নাথপুরের দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকটের টেকসই সমাধানই দেবে না, বরং সিলেট-সুনামগঞ্জ অঞ্চলের জাতীয় গ্রিড নেটওয়ার্ককে আরও ভারসাম্যপূর্ণ, নির্ভরযোগ্য এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলবে।