শিরোনাম
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

লাখাইয়ে তালাক দেয়া স্ত্রীকে ধর্ষণ, ইউপি সদস্য কারাগারে

Coder Boss / ৩১৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২০

হবিগঞ্জ, পলাশ পাল

গলাখাইয়ে স্ত্রীকে ডিভোর্স লেটার দেয়ার পরও জোরপুর্বক মিলামিশা করায় ধর্ষণ মামলায় কারাগারে যেতে হয়েছে ইকবাল হোসেনকে। এ ঘটনাটি নিয়ে উপজেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, লাখাই উপজেলার বামৈ ইউনিয়নের নয়াগাঁর গ্রামের মৃত আব্দুর রউপ-এর ছেলে ১নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার ইকবাল হোসেন একই উপজেলার পুর্ব সিংহগ্রামের রমজান আলীর মেয়ে শারমিন জাহানকে (৩২) ৪ বছর আগে বিয়ে করেন। এরআগেও ইকবাল হোসেন আরো ২টি বিয়ে করেন এবং শারমিন জাহানারও ২টি বিয়ে হয়। শারমিন জাহান জানান, ৭/৮ বছর আগে আসেরা-ফাইন্ডাইল গ্রামের আব্দুস সালামের সাথে তার ২য় বিবাহ হয়। বিবাহের পর শারমিনের গর্ভে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। স্বামী আব্দুস সালাম এই সন্তান তার না বলে অস্বীকার করায় তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে এবং শারমিন বাদী হয়ে স্বামী আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। শারমিন আগের স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করার পর ইকবাল হোসেন মেম্বার প্রায়ই তাকে মামলায় সহযোগিতা এবং পরামর্শ দিতেন। শারমিন আরো জানান, ৪ বছর পুর্বে তার ছেলের ডিএনএ টেস্ট করানো জন্য ঢাকা যাওয়া লাগবে শুনে ইকবাল হোসেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য তার সাথে ঢাকা যায়। এ সুযোগে ইকবাল তার ও তার ছেলের ছবি লাগবে বলে তার কাছ থেকে ছবি নেয় এবং অসহায়েতের সুযোগ নিয়ে এক পর্যায়ে জোরপুর্বক এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে করে। এরপর থেকে আমাদের দাম্পত্য জীবন শুরুর প্রায় ৪ বছর হয়। হঠাৎ গত ৭ জানুয়ারি আমার কাছে স্বামী ইকবালের একটি ডিভোর্স লেটার হবিগঞ্জ কোর্ট থেকে আসে। ডিভোর্স লেটার দেয়ার পরও সে মাঝে মধ্যে তার বাড়িতে গিয়ে শারিরীক ও মানুষিক নির্যাতন করে। এ ব্যাপারে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গকে জানালেও সে কারো কথায় কোনো কর্ণপাত না করে প্রায়ই মাঝে মধ্যে স্ত্রী দাবি করে শারিরীক ও মানুষিক নির্যাতন করে যায়।

শারমিন বলেন, এক পর্যায়ে অসহায় ও নিরুপায় হয়ে প্রায় ১৪/১৫ দিন পুর্বে আমি এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেই। অন্যান্য দিনের ন্যায় গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টার সময় এসে আমাকে শারিরীক, মানুষিক নির্যাতনসহ জোরপুর্বক ধর্ষণ করলে আমি গোপনে লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জকে মোবাইলে জানানে লাখাই থানার এসআই বাশার সঙ্গীয় পোর্স নিয়ে ইকবালকে থানায় নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মহিলা রাতে আমাকে ফোন দিলে আমি তাৎক্ষাণিক আমার থানার এসআই বাশারকে পাঠাই। ঘটনাস্থলে গিয়ে ইকবালকে পায় এবং সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

এ ব্যাপারে মামলা তদন্ত কর্মকর্তা এসআই বাশার বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়া ঘটনা সংশ্লিষ্টতা আছে বিধায় আমরা ভিকটিমসহ ইকবালকে থানা নিয়ে আসি। পরে বুধবার ভিকটিম শারমিন জাহান বাদী হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে ইকবাল মেম্বারকে ধর্ষণ মামলায় জেলহাজতে পাঠাই। ভিকটিম শারমিন জাহানকে মেডিকেল রিপোর্টের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

বিভাগের খবর দেখুন