শিরোনাম
জগন্নাথপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা দ্বিজেশ চন্দ্র দাশের পরলোকগমন কালাপুর ইউপিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ডিজিটাল ফিউচার মিডিয়া লিমিটেডের উদ্যোগে ‘ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা’ অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজার শেরপুরে দুই অভিযানে ভারতীয় চোরাচালানকৃত পণ্য জব্দ, গ্রেপ্তার ৮ জগন্নাথপুরে সরকারি খাস জমিতে থাকা ৫টি পরিবারকে বাঁশের বেড়া দিয়ে গৃহবন্দী করার অভিযোগ শ্রীমঙ্গলে মা সমাবেশ:নিরাপদ মাতৃত্বে স্বাস্থ্যসেবার উদ্যোগ লোক দেখানো দশ লাখ কোটি টাকার বাজেট, সমগ্র জাতি হতাশ, লাভবান শুধুই সরকারের সহযোগীরা! আওয়ামী আমলের হত্যা মামলায় মৌলভীবাজারে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার দোয়ারাবাজারে ” স্কুল সেফটি মেলা-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয় তাড়াইল–কিশোরগঞ্জ সড়কে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা পাকা করণের কাজ, জনমনে তীব্র ক্ষোভ
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

৫৩টি ব্র্যান্ডের ওষুধের দাম বাড়লো;অসহায় ক্রেতা।

সত্যজিৎ দাস / ১৪৮৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ জুলাই, ২০২২

Manual3 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
একদিকে করোনার সংক্রমণ ও ডেঙ্গুজ্বরের বিস্তারে মানুষের স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক জটিলতা বেড়েছে। অন্যদিকে অত্যাধিক তাপদহন ও বন্যার মধ্যে প্রাথমিক চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত ২০টি জেনেরিকের ৫৩ ব্র্যান্ডের ওষুধের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী প্যারাসিটামলের ৫০০ এমজির প্রতিটি ট্যাবলেট ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে এক টাকা ২০ পয়সা। কিছু ওষুধের দাম বেড়েছে ১০০ শতাংশেরও বেশি। অর্থাৎ আগে যে দামে ওষুধ কেনা যেতো,তার চেয়ে দ্বিগুণ টাকা গুনতে হবে এখন। যেহেতু দেশের মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য তালিকাভুক্ত ১১৭টি ওষুধের দাম বাড়ানোর ক্ষমতা রয়েছে সরকারের হাতে। ওষুধের এই মূল্যবৃদ্ধির আগে অন্তত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমেও মানুষকে জানানোর নিয়ম। কিন্তু তা ঘটেনি,শুধুমাত্র কোম্পানিগুলোর সুপারিশের ভিত্তিতে এবার ৫৩টি ব্র্যান্ডের ওষুধের দাম বাড়ানো হয়েছে।

ওষুধ কিনতে আসা বেশিরভাগ রোগীরা অভিযোগ করছেন,’ এমনিতেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকা দায়,সেখানে এমন পরিস্থিতিতে কোনপ্রকার ঘোষণা ছাড়াই হটাৎ করে ওষুধের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। তবে সরকার বলছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর সংশ্লিষ্টদের দাবির প্রেক্ষিতে ও অভ্যান্তরিন-আন্তর্যাতিক বাজারে ওষুধের কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি সহ দেশের গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বাড়ায় সার্বিক দিক বিবেচনা করে ওষুধের দাম বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু এটি প্রচারের দায়িত্ব উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর,আমাদের না।

Manual4 Ad Code

উল্লেখ্য যে,গত ৩০ জুন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ওষুধের মূল্য নির্ধারণ কমিটির ৫৮তম সভায় ওষুধের পুনঃনির্ধারিত দাম অনুমোদন করা হয়। তবে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করেই নতুন দামের লেভেলে বাজারজাত শুরু করে দিয়েছে।

এর আগে সর্বশেষ ২০১৫ সালে কয়েকটি ব্র্যান্ডের ওষুধের দাম বাড়ানো হয়েছিল। প্রায় সাত বছর পর আবারো বাড়ানো হয়েছে অতি প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম। এর মধ্যে বিভিন্ন মাত্রার প্যারাসিটামলের দাম বাড়ানো হয়েছে ৫০ থেকে শতভাগ। মাত্র ৪০ টাকার এমোক্সিসিলিনের দাম করা হয়েছে ৭০ টাকা,২৪ টাকার ইনজেকশন ৫৫ টাকা। ৯ টাকার নাকের ড্রপের দাম বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৮ টাকা। এমনকি কোনো কোনো ওষুধের দাম ৯৯ থেকে ১৩২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

বাজারে আকস্মিক সর্বাধিক ব্যবহৃত ওষুধের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আইয়ুব হোসেন বলেন,’ নিয়ম মেনেই ওষুধের দাম বাড়ানো হয়েছে। একটি টেকনিক্যাল কমিটি ওষুধ উৎপাদনকারীদের প্রস্তাবনা যাচাই-বাছাই করে মূল্য নির্ধারণের সুপারিশ করেছে। এরপর ওষুধের মূল্য পুনর্মূল্যায়ন করে সেগুলোর নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আচমকা বাড়ানো হয়েছে বিষয়টা এমন নয় ‘। 

তিনি আরও বলেন,’ কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা কারণে বাজারে ওষুধের স্বল্পতা দেখা দিয়েছে। কোম্পানিগুলো কিছু ওষুধ উৎপাদনে উৎসাহিত হচ্ছে না। সবকিছু পর্যালোচনা করে ওষুধ প্রশাসনের মূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিটির পরামর্শক্রমে সরকার ওষুধগুলোর দাম আপডেট করেছে।

এদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন,’ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য তালিকাভুক্ত ওষুধের দাম বাড়ানোর ক্ষমতা সরকারের হাতে। এক্ষেত্রে আরও যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন ছিল। কিছু কিছু ওষুধের দাম যৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবিত দামের চেয়ে মূল্য অনেকটা বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে ‘।

দাম বেড়ে নতুন মূল্যে যেসব ওষুধ বিক্রি হচ্ছেঃ-
(১) প্যারাসিটামল ৫০০ এমজি ট্যাবলেটের দাম করা হয়েছে ১ টাকা ২০ পয়সা,আগে ছিল ৭০ পয়সা। 

(২) প্যারাসিটামল ৫০০ এমজি ট্যাবলেটের (র‌্যাপিড) দাম করা হয়েছে ১ টাকা ৩০ পয়সা,আগে ছিল ৭০ পয়সা। 

(৩) প্যারাসিটামল ৬৫০ এমজি ট্যাবলেটের (এক্সআর) দাম করা হয়েছে ২ টাকা,আগে ছিল ১ টাকা ৩১ পয়সা। 

(৪) প্যারাসিটামল ১০০০ এমজি ট্যাবলেটের দাম করা হয়েছে ২ টাকা ২৫ পয়সা,আগে ছিল ১ টাকা ৪ পয়সা। 

(৫) প্যারাসিটামল ৮০ এমজি ড্রাপস ১৫ এমএল বোতলের দাম করা হয়েছে ২০ টাকা,আগের দাম ১২ টাকা ৮৮ পয়সা। 

(৬) প্যারাসিটামল ৮০ এমজি ড্রাপস ৩০ এমএল বোতলের দাম হয়েছে ৩০ টাকা,আগের দাম ১৮ টাকা। 

(৭) প্যারাসিটামল ১২০ এমজি/৫ এমএল সাসপেনশন (৬০ এমএল) বোতলের দাম হয়েছে ৩৫ টাকা,আগের দাম ১৮ টাকা। 

(৮) প্যারাসিটামল ১২০ এমজি/৫ এমএল সাসপেনশন ১০০ এমএল বোতলের দাম হয়েছে ৫০ টাকা,আগের দাম ৩০ টাকা ৮ পয়সা। 

(৯) প্যারাসিটামল ১২০ এমজি/৫ এমএল সিরাপ (৬০ এমএল) বোতল দাম ৩৫ টাকা,আগের মূল্য ১৮ টাকা। 

(১০) প্যারাসিটামল ১২০ এমজি/৫ এমএল সিরাপ (১০০ এমএল) বোতলের দাম করা হয়েছে ৫০ টাকা, আগের মূল্য ২৭ টাকা ৭২ পয়সা। 

(১১) মেট্রোনিডাজল ২০০ এমজি ট্যাবলেট কোটেড আগের মূল্য ৬০ পয়সা,বর্তমান মূল্য ১ টাকা। 

(১২) মেট্রোনিডাজল ২৫০ এমজি ট্যাবলেট কোটেড আগের মূল্য ৯২ পয়সা,বর্তমান মূল্য ১ টাকা ২৫ পয়সা। 

(১৩) মেট্রোনিডাজল ৪০০ এমজি ট্যাবলেট কোটেড আগের মূল্য ১ টাকা ৩৭ পয়সা,বর্তমান মূল্য ১ টাকা ৭০ পয়সা। 

(১৪) মেট্রোনিডাজল ৫০০ এমজি ট্যাবলেট কোটেড আগের মূল্য ১ টাকা ৬৬ পয়সা,বর্তমান মূল্য ২ টাকা। 

Manual2 Ad Code

(১৫) মেট্রোনিডাজল ২০০এমজি/৫এমএল সাসপেনশন ৬০ এমএল বোতলের আগের মূল্য ২৬ টাকা,বর্তমান মূল্য ৩৫ টাকা। 

(১৬) মেট্রোনিডাজল ২০০এমজি/৫এমএল সাসপেনশন ১০০ এমএল বোতলের আগের মূল্য ৩৪ টাকা ৯২ পয়সা,বর্তমান মূূল্য ৪৫ টাকা। 

(১৭) মেট্রোনিডাজল ৫০০এমজি/১০০ এমএল ইনফিউশন ১০০ এমএল বোতলের আগের মূল্য ৭৪ টাকা ৩৫ পয়সা,বর্তমান মূল্য ৮৫ টাকা।

Manual2 Ad Code

এছাড়া……
(১৮) এমোক্সিসিলিন বিপি ১২৫ এমজি/১.২৫ এমএল সাসপেনশন ১৫ মিলি বোতলের আগে ছিল ২৬ টাকা ৩৪ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৩৫ টাকা। 

(১৯) এমোক্সিসিলিন বিপি ১২৫ এমজি/৫ এমএল সাসপেনশন ১০০ মিলি বোতলের আগে ছিল ৪১ টাকা ৪০ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৭০ টাকা। 

(২০) এমোক্সিসিলিন বিপি ২৫০ এমজি/৫ এমএল সাসপেনশন-ডিএস ১৫ মিলি বোতলের আগে ছিল ৬৭ টাকা ৯৪ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ১০০ টাকা। 

(২১) এমোক্সিসিলিন বিপি ২৫০ এমজি ক্যাপসুল, আগে ছিল ৩ টাকা ১৫ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৪ টাকা। 

(২২) এমোক্সিসিলিন বিপি ৫০০ এমজি ক্যাপসুল, আগে ছিল ৫ টাকা ৯০ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৭ টাকা ৫ পয়সা। 

(২৩) এমোক্সিসিলিন বিপি ৫০০ এমজি ইনজেকশন, আগে ছিল দাম ২৪ টাকা ১০ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৫৫ টাকা। 

(২৪) জাইলোমেট্রোজালিন এইচসিআই ০.০৫% নাসাল ড্রপ ১৫ এমএলের আগের দাম ৯ টাকা ৬০ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ১৮ টাকা। 

(২৫) জাইলোমেট্রোজালিন এইচসিআই ০.১% ন্যাজাল ড্রপ ১৫ এমএলের আগের দাম ১০ টাকা ৪ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ২০ টাকা। 

(২৬) প্রোকলেপেরাজিন ৫এমজি ট্যাবলেট, আগের দাম ৪০ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৬৫ পয়সা। 

(২৭) প্রোকলেপেরাজিন ১২.৫ এমজি ইনজেকশন, আগের দাম ৪ টাকা ৩৬ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৯ টাকা। 

(২৮) ডায়াজেপাম ১০ এমজি/২ এমএল ইনজেকশন আগে ছিল ৩ টাকা ২২ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৭ টাকা। 

(২৯) মিথাইলডোপা ২৫০ এমজি ট্যাবলেটের আগের দাম ১ টাকা ৫০ পয়সা,এটি ১৩৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩ টাকা ৪৮ পয়সা। 

(৩০) মিথাইলডোপা ৫০০ এমজি ট্যাবলেটের আগের দাম ছিল ৫ টাকা ১৩ পয়সা,এটি বেড়ে হয়েছে ৬ টাকা ৯ পয়সা।

(৩১) ফ্লুরুসেমাইড ২০ এমজি/২ এমএল ইনজেকশনের দাম আগে ছিল ৫ টাকা ৯৯ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৯ টাকা। 

(৩২) ফ্লুরুসমাইড ৪০ এমজি ট্যাবলেট আগে ছিল ৫৬ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ১ টাকা। 

(৩৩) ফেনোবারাবিটাল ৩০ এমজি ট্যাবলেটের আগের দাম ছিল ৬৮ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ১ টাকা। 

(৩৪) ফেনোবারাবিটাল ৬০ এমজি ট্যাবলেটের আগের দাম ছিল ১ টাকা,বেড়ে হয়েছে ১ টাকা ৫০ পয়সা। 

(৩৫) ফেনোবারাবিটাল ৫০ এমএল এলিক্সির ২০ এমজি৫ এমএল বোতলের আগের দাম ছিল ২১ টাকা ৭৮ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৪৩ টাকা। 

(৩৬) ফেনোবারাবিটাল ১০০ এমএল এলিক্সির ২০ এমজি/৫ এমএল বোতলের আগের দাম ছিল ৫০ টাকা,বেড়ে হয়েছে ৭০ টাকা। 

(৩৭) ওআরএস ৫০০ এমএল স্যাটেসের আগের দাম ছিল ৪ টাকা ৩৫ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৬ টাকা। 

(৩৮) ওআরএস ফ্রুটি ২৫০ এমএল স্যাটেসের আগের দাম ছিল ৪ টাকা ৪০ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৬ টাকা। 

(৩৯) লিডোকেইন ১% ডব্লিউভি,২০ এমজি/২ এমএল ইনজেকশনের আগের দাম ছিল ৩ টাকা ৬ পয়সা,৯৯ শতাংশ বেড়ে ওষুধটির দাম হয়েছে ৭ টাকা। 

(৪০) লিডোকেইন ১% ডব্লিউভি,৫০ এমএল ইনজেকশনের আগের দাম ছিল ২০ টাকা, বেড়ে ওষুধটির দাম হয়েছে ৩৫ টাকা। 

(৪১) লিডোকেইন ২% ডব্লিউভি,৫০ এমএল ইনজেকশনের আগের দাম ছিল ২৫ টাকা,বেড়ে ওষুধটির দাম হয়েছে ৪০ টাকা। 

(৪২) ফলিক এডিস ০.০৫ এমজি/১০০ এমএল ওরাল সলিউশনের (১০০ এমএল বোতল) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা। 

(৪৩) ক্লোরফেনিরামিন ২ এমজি/৫ এমএল সিরাপের (৬০ এমএল বোতল) আগের দাম ছিল ১৩ টাকা,বেড়ে হয়েছে ২০ টাকা। 

(৪৪) বেনজাথিন বেনজিলপেনিসিলিন ১২ লাখ ইউনিট/ভায়াল ইনজেকশনের আগের দাম ১৫ টাকা ৬০ পয়সা,প্রায় ৯৯ শতাংশ বেড়ে দাম হয়েছে ৩০ টাকা। 

(৪৫) অ্যাসপিরিন ৭৫ এমজি ট্যাবলেটের আগের দাম ছিল ৫৫ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৮০ পয়সা। 

Manual6 Ad Code

(৪৬) অ্যাসপিরিন ৩০০ এমজি ট্যাবলেটের আগের দাম ছিল দেড় টাকা,বেড়ে হয়েছে ২ টাকা। 

(৪৭) ফেনোক্সিমিথাইল পেনিসিলিন ২৫০ এমজি ট্যাবলেটের আগের দাম ছিল ২ টাকা,বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ৮০ পয়সা। 

(৪৮) ফেনোক্সিমিথাইল পেনিসিলিন ৫০০ এমজি ট্যাবলেটের আগের দাম ছিল ৩ টাকা ৮৬ পয়সা, বেড়ে হয়েছে ৫ টাকা ৫০ পয়সা। 

(৪৯) ফেনোক্সিমিথাইল পেনিসিলিন ২৫০ এমজি/৫ এমএল সিরাপের (৫০ এমএল বোতল) আগের দাম ছিল ২১ টাকা ৫০ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৩৫ টাকা। 

(৫০) প্রোমেথাজিন ৫ এমজি/৫ এমএল এলিক্সির (১০০ এমএল বোতল) আগের দাম ছিল ২১ টাকা ৩৫ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৩৫ পয়সা। 

(৫১) প্রোমেথাজিন ২৫ এমজি/এমএল ইনজেকশনের আগের দাম ছিল ৩ টাকা,বেড়ে হয়েছে ৭ টাকা। 

(৫২) নরগেস্টেরেল ০.৩০ এমজি+ইথাইনিলিস্ট্রাডল ০.০৩ এমজি ট্যাবলেটের দাম আগে ছিল একটা ৫০ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ২ টাকা। 

(৫৩) ফেরোস ফেমেরেট ৭৫ এমজি ট্যাবলেটের আগের দাম ছিল ৩৮ পয়সা,বেড়ে হয়েছে ৫০ পয়সা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code