শিরোনাম
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ফয়েজ আহমেদ বাবর আর নেই

Coder Boss / ২১৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২০

আলমগীর হোসেন শাহপরাণ প্রতিনিধি

জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমদ বাবরের জানাজার নামাজ শুক্রবার বাদ আছর জৈন্তাপুর উপজেলার সারিঘাট (উত্তর পার) ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। হাসপাতালের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার রাতেই ফয়েজ আহমদ বাবরের মরদেহ নিয়ে জৈন্তাপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন তাঁর পরিবার সদস্যরা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে দশটার সময় ঢাকার ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ দৈনিক সিলেট নিউজ ২৪ কম, পত্রিকাকে জানান, পারিবারিক সিন্ধান্ত মোতাবেক মরহুমের জানাজার নামাজ শুক্রবার বাদ আছর জৈন্তাপুর উপজেলার সারিঘাট (উত্তর পার) ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তিনি সিলেট নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার এম্বুলেন্সে করে ঢাকায় পাঠানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় সিলেট নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ল্যাব এইড হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য পাঠানো হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি মা, স্ত্রী ও দুই শিশু পুত্রসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

জৈন্তাপুর উপজেলার আগফৌদ গ্রামের নিবাসী ফয়েজ আহমদ বাবরের বয়স হয়েছিল ৫১ বছর। তিনি শিক্ষা জীবন শেষ করে জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৮ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি উক্ত কলেজে কর্মরত ছিলেন। প্রভাষক হিসেবে যোগদান করলেও তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ (খন্ডকালীন) ও সর্বশেষ সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক হিসেবে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রশিদ হেলালীর অন্যতম সহযোদ্ধা ছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি কলেজের গর্ভণিং বডির সদস্যসহ অনেকগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনৈতিক পদাচারণা শুরু হলেও জৈন্তাপুর উপজেলা যুবলীগ ‍ ও পরবর্তীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

বিভাগের খবর দেখুন