শিরোনাম
​তিতাসে অসহায় বৃদ্ধা মজিদা খাতুনকে মারধর করে ঘরছাড়া করলেন আপন ছেলে-বউ! তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোষ্টে পাসপোর্ট যাচাইয়ের সময় আটক হন কামাল চেয়ারম্যান এমপি মিলনের সফরসঙ্গী হয়ে দেশে ফিরলেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল বাসির সিলেটে ঝোপের মধ্যে পড়ে ছিল বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, উদ্ধার করল এসআরবি-৯ রংপুরে আ.লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চিকনাগুলে মসদ্দর আলীর পক্ষে যুবসমাজের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা, বিএনপির মনোনয়ন দাবি মাকসুদা বেগম হত্যার বিচারের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথপুরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত পরিবেশ বিপর্যয় প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে প্রশিক্ষণ বিষয়ক সহ-সম্পাদক হলেন এইচ আর রুবেল সিলেটের জৈন্তাপুরকে পৌরসভা ঘোষণা, উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ইলিশ যেদিন রান্না করি,সেই দিনটি ঈদের দিন।-তসলিমা নাসরিন।

Daily Sylhet News / ৪৮৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ জুলাই, ২০২২

Manual5 Ad Code

সিলেট নিউজ অনলাইন ডেস্ক:

তসলিমা নাসরিন বাংলাদেশের একজন বিতর্কিত সাহিত্যিক ও চিকিৎসক। বিংশ শতাব্দীর আশির দশকে একজন উদীয়মান কবি হিসেবে সাহিত্যজগতে প্রবেশ করে তসলিমা এই শতকের শেষের দিকে নারীবাদী ও ধর্মীয় সমালোচনামূলক রচনার কারণে আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করেন। তিনি তার রচনা ও ভাষণের মাধ্যমে লিঙ্গসমতা,মুক্তচিন্তা,নাস্তিক্যবাদ এবং ধর্মবিরোধী মতবাদ প্রচার করায় ইসলামপন্থীদের রোষানলে পড়েন ও তাদের নিকট হতে হত্যার হুমকি পেতে থাকায় ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ ত্যাগ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করতে বাধ্য হন। এখন তিনি কয়েকদিন কলকাতা, কয়েকদিন দিল্লি আবার অষ্ট্রেলিয়াও থাকেন।

বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন তার ভেরিফাইড ফেসবুকে ০৯ জুলাই শনিবার একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে পদ্মার ইলিশের গুণগান গাইলেন ও স্মৃতিতে এখনও পদ্মার ইলিশ আছে তা স্পষ্ট করে বললেন। তার লেখা ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো,   ‘ কাল সন্ধ্যায় (০৮ জুলাই শুক্রবার) মাছের বাজারে গিয়ে দুটো ইলিশ কিনলাম। বিক্রেতারা দাবি করে এ বাংলাদেশের ইলিশ। জানিনা সত্যিই বাংলাদেশের কিনা।

Manual1 Ad Code

তবে গঙ্গার হোক,পদ্মার হোক, এই সিজনে ইলিশ না খেলে পুরো বছরটাতেই মনে হবে কী যেন খাইনি,কী যেন খাইনি। ষোলোশ’ টাকা কিলো ইলিশের। দুটোরই ওজন এক কিলো দেড়শ’ মতো। ঘরে এনে কয়েক টুকরো রান্না করলাম। নানা রকম রান্না আছে ইলিশের। তবে আমার সবচেয়ে ভালো লাগে কালোজিরে কাঁচালঙ্কার ফোড়ন দেওয়া পাতলা ঝোলের ইলিশ। রাতেই খেলাম। মাছও এত সুস্বাদু হতে পারে তা ইলিশ না খেলে বোঝা দায়,প্রাণ জুড়োলো।

Manual7 Ad Code

যখন বাংলাদেশে ছিলাম,ইলিশ এত খেতাম যে ইলিশকে খুব স্পেশাল কিছু মনে হতো না। এখন সিজনে ইলিশ জোটে,ভালো ইলিশ কদাচিৎ জোটে,তাই ভালো কোনও সুস্বাদু ইলিশ যেদিন রান্না করি,সেই দিনটি মনে হয় ঈদের দিন,স্পেশাল। আজ আমার ঈদ,আজ (০৯ জুলাই শনিবার) দুপুরে,রাতে,দু’বেলায় ইলিশ খাবো। ঘড়ি দেখছি,কখন লাঞ্চের সময় হবে। লাঞ্চ শেষ হলে ঘড়ি দেখবো ডিনারের সময় কখন হবে,কারণ তখনও ইলিশ খাবো ‘।

 

Manual1 Ad Code

সিলেট নিউজ/এসডি.

Manual5 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code